ভ্রমণের পথ শেষ হলে বেজে ওঠে
গোধূলি বেলার
সমাপ্তির আলো
আঁধার কাঁপানো
প্রতীক্ষা ক্রমশ
শূন্যতার দিকে যেতে থাকে
সন্ধ্যার ছুঁতে না পারা দুঃখিত গ্রামের
অজানা দূরের
আকাশী বেদনা রূপকথার পুরানো পথ ভাঙে
ধুলি ধূসরিত
গ্রাম্য বাঁশবন তখনো দাঁড়িয়ে থাকে
বিশীর্ণ জোড়ের কাঁচা দেহে
জ্যোৎস্নার অরণ্যে সঙ্গমের
রাত্রির সঙ্গীত মনেপড়ে
পঞ্চমে-গান্ধারে প্রতিক্ষণে
যে, শরীরে বেজেছিল আদিম রক্তের দেহজলে
আমিতো তখন
তোমার অন্তরে আন্তরিক
হয়েছি মুমূর্ষু সমাপ্তির
যন্ত্রণা মুছিয়ে দিতে দীর্ঘ অন্ধকারের কুয়াশা সিক্ত পথে
ভ্রমণের পথ শেষ হলে
ব্যথাহত ব্যর্থতারা জেগে ওঠে নিজস্ব অস্তিত্বে
জেগে ওঠে দীন অবলুপ্তির সে গান
সভ্যতার অশরীরী বিষাদ পোকারা
রৌদ্ররস খেয়ে
আমাদের নিয়ে
অস্থির নষ্টের
দিকে উড়ে যায়
পোড়ানো জীবন তবুও ব্যাথার বিদ্যুৎ চমকে
ঘনিষ্ট মাটিতে রেখে যায়
স্পর্শাতীত কিছু প্রতিশ্রুতি
তারপর সেই সুরে করোটি কঙ্কালে বৈরাগীর
পৃথিবী বিস্তৃত
সফলতা এনে
তোমাকে আমাকে মুক্ত করে
ধূসর গ্রামের রৌদ্রময়
বাউল আকাশে
শূন্যতার প্রতীক্ষার রক্ত হতে প্রাচীন প্রান্তর বেজে ওঠে
পঞ্চমে-গান্ধারে
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem