আমি সেই রুবি রায়
যাকে শুধু এক পলক দেখার জন্য
দুপুরের রোদে পুড়ে ছায়াহীন পথে
অথবা ঝুম বৃষ্টিতে, ঝরে ঝাপটাতে
রোজ এসে দাঁড়াতো কেউ
দোকানের মোড়ে
কখনও মলিন জিন্সে
কখনও বা স্কুল ইউনিফর্ম পরে...
যাকে ভালোবেসে
কেউ লিখতো কবিতা
আনাড়ি কিশোর হাতে
ভরাতো অংকের খাতা...
স্কুল বাসে ওঠা নামার সময়
রোজ একটা কিছু ছলে
অবাধ্য দুটো চোঁখ
যেতো তার দিকে চলে...
এর বেশি কিছু নয়
এখানেই ছিলো গল্পের শেষ
এরপর বিয়ে সাদী
দিনগুলো বেশ...
আসলে কি চাইলেই হয়ে যায় শেষ
নাকি আজীবন থেকে যায়
সেই প্রথম প্রেমের রেশ...?
তাই তো এখনো বুকের মাঝে
খেলা করে অনন্ত এক শূন্যতা
হয়তো সেটা একটা কিছু
না পাওয়ার অপূর্ণতা....
অথবা পেয়ে হারানোর বেদনার মতো
খুব তীব্র কোনো কষ্ট,
কিশোর একটা মুখের ছবি
আজও উঁকি মারে স্পষ্ট...
কখনো হটাৎই ঝুম বৃষ্টি হলে
অথবা খাঁ খাঁ দুপুরের অবসরে
আমিও কান্নার প্রতিধ্বনি শুনি
কেউ ভালোবাসবে না
কিছু ফিরে আসবেনা
স্বপ্নের জাল বৃথা বুনি......
আজকাল আমি খুব অপকটে
মিথ্যেও বলতে শিখেছি
চেনা পথের বাঁকে
চির চেনা মুখ...
অথচ কি নিপুন অভিনয়ে
জানতে চেয়েছি...
তোমাকে কোথায় যেনো দেখেছি...
হারিয়ে যাওয়া
গল্পগুলো আজও
হাওয়ায় ডানা মেলে উড়ে,
চলে যায় দূরে...
অতীতে সুদূরে....
যেখানে কোনো কান্না নেই
নেই মন খারাপের বেলা
সেখানেই আমি হেঁটে যাই
নুপুরের সুর তুলে
একা! একেলা....
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem
beautifully expressed the speehc of alone love- enjoyable