এই পোড়ো অন্ধকারসিক্ত নষ্ট বাঁশবন গ্রামে
নিষাদের উপকথা প্রতিভার জলছবি ভাসে
শূন্যের ভেতর প্রতীক্ষার যে জীবন চেয়েছিল
মাটির গভীরে মেধাবী বীজের ভালোবাসা, তাকে
জাগালো জলের শব্দ কুয়াশার ছায়াপথ জুড়ে
রেখাময় ছবি ধূলিকণা ওড়ে মিহি হাহাকারে
বিশুদ্ধ দহন মেঘরমণীর ক্লান্ততৃষ্ণা আঁকে
জঠরের অন্ধকার শব্দ ভেঙে চলে মরুনদী
জ্যোৎস্নাজলে কাঁপে হেমন্তের বিষাদের সেই বাঁশি
গ্রন্থিমুক্ত হতে হতে একদিন আত্মরূপ জাগে
জন্মের বন্ধন জন্মনাড়ি ছুঁয়ে কাঁদে স্মৃতিদেশে
পৃথিবীর মধ্যরাতে অস্পষ্ট মুহূর্তে দগ্ধকাঠে
শুনেছি প্রক্ষিপ্ত মানুষের রক্তে নক্ষত্র কোরাস
নিসর্গ রেখার পাশে বহুদূর অনস্তিত্বে এক
কলোমেঘে নিষাদের জীবন মৃত্যুর মতো ভাসে
দেখেছি সেখানে অনন্তের কান্নাধ্বনি পরিচিত
পৃথিবীতে উড়ন্ত পাখির চেতনার কথা বলে
গ্রন্থিমুক্ত হতে হতে ফিরে আসি সেই ভ্রূণজলে
যেখানে জলের প্রত্নশব্দ ছুঁয়ে জেগেছি একাকী
নিষাদের ক্লান্ত নিনাদ ধ্রুপদী হলো এইখানে
বিষ্ণুপুরানের শরীর বৈষ্ণব দেহে মিশে গেলো
মাটি জল শেষছাই অনর্গল নিনাদের বুকে
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem