থাকতে তুমি চাও না।
কেন চাও না?
তোমার নাকি অনেক কাজ।
কাজ? বা অন্য কিছু?
থাক, কারনটা বলতে যখন চাও না
তো বলো না।
তবুও কেন জানি
শুনতে ইচ্ছে করে।
আমার যেখানটা অপক্ক
সেখানটা যদি পাকিয়ে নিতে পারি।
আমার যেখানটা ভাঙা
সেখানটা যদি সারিয়ে নিতে পারি।
ভাবছো,
আমার আর এতো ভালোবাসা কোথায়?
ভাবতেই পারো।
সত্যিই তো
চালচুলোহীন এক ছেলে
কতটুকুই বা আর ভালোবাসতে পারে?
কে জানে
তবুও মনে হয়
আমিও ভালোবাসতে পারি।
অনেক অনেক ভালোবাসতে পারি।
ইচ্ছে কি আমার করে না
কোন এক সন্ধ্যে বেলা
বারান্দায় বসে
কোন এক নারীর বেণী বেঁধে
তাতে, বেলফুলের মালা গুঁজে দিতে?
তারপর
একটু প্রশংসা করবে সে
সেই আশায়
উন্মুখ হয়ে তার দিকে তাকিয়ে থাকতে।
করে গো করে
অনেক করে।
কত দুর্ভাগ্য বলো?
ভালোবাসতে চাই
অথচ সেই ভালোবাসা নেওয়ার মতো
কেউ কাছে নাই।
থাকতে যখন চাও না
তো থেকো না।
তোমার কষ্ট হবে,
এমন কিছুই আমার চাই না।
নাহঃ গো নাহঃ
কারও আনন্দের কারন যখন হতে পারলাম না
তো কারও দুঃখও আমি হবো না।
প্রেমিক হতে ব্যর্থ হতে পারি।
কিন্তু একজন হৃদয়বান মানুষ?
তা আমি হবোই।
দুঃখ কাউকে দেবো না গো
কাউকে দুঃখ দেবো না।
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem