নিঃশব্দে মৃত্যু হোক আমার।
মৃত্যু হোক আমার
হেমন্তের সকালে
দূর্বা বুকে শিশির বিন্দুর মতো।
তারাও নিঃশব্দে ঝরে
নীরবে শুকিয়ে যায় ।
ঝরে যাক জীবন
প্রবাহমান সময়ের মতো।
চকিতে। অতর্কিতে।
কিন্তু ভীষণই নিশ্চয়তার সাথে।
ঝরে যাক জীবন অনাদরে।
অলক্ষ্যে।
সঙ্গে কোনও
সংগীত বা শোকযাত্রা যেন থাকে না।
সুদূর মহাসাগরের
অনাবিষ্কৃত দুর্গম সেই দ্বীপগুলোর মতো।
যারা অলক্ষে আবির্ভূত হয়
নীরবে অদৃশ্য হয়।
তারা একাকী। ভীষণই একাকী।
সঙ্গে তাদের
সংগীত বা শোকযাত্রার কেউ থাকে না।
বিজয় খ্যাতি আর ঔদ্ধত্যের
নিত্য দুন্দুভি বাদ্যে
বিরক্ত, অসুস্থ আমি।
আমি নৈঃশব্দ চাই। প্রশান্তি চাই।
জীবনকালে
প্রশান্তির প্রচেষ্টায় ভীষণই ব্যর্থ আমি।
মৃত্যু আমার শেষ সুযোগ।
সময় আসছে, এবার
নৈঃশব্দের নিরালায় আশ্রয় গড়বো আমি।
তোমরা কেঁদো না
হরিবোল বলোহরি গেও না।
শুধু জ্বালিয়ে দিও ।
ভীষণই অধৈর্য্যে
তাচ্ছিল্যভরে আমাকে জ্বালিয়ে দিও।
হে ঈশ্বর
নৈঃশব্দের নিরাময় আশ্রয়ে
আশ্রয় দাও আমায়।
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem