চব্বিশ
উৎসর্গ: মানুষের মাংসখোর হ্যামিল্টন হাওয়ার্ড "অ্যালবার্ট" ফিশ, সিরিয়াল কিলার "ব্রুকলিননের রক্তচোষা বাদুড়, " " চাঁদোন্মাদ, " "উইস্টেরিয়ার ভেড়াপোশাক নেকড়ে, " ও "ধূসরমানব, "
এই আছি, এই নেই ওরে কপাল রেসুহোত্র আপারে গতমাসে বলছিলাম চুমুর গন্ধ মাখি..., "ফুসলিয়ে" "বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে" সুতসোম।অন্তরাত্মা কাঁপিয়ে দিয়ে যায়...একদেশে ছিলো এক লক্ষ্মীপেঁচা নিরমিত্র হাজার ঝড়ঝাপটাতে বুদ্ধিদীপ্ত নারীবাজি এক আকাশ গঙ্গা পদ্মা মেঘনা যমুনা কেঁদেছিলাম অন্তরালবর্তিনী চলেন তিনজনে একরাত থাকি তুই আমার মতো বেহায়া প্রতিবিন্ধ্যএকসাথে গুগল ম্যাপ দেখে ফিরে এসো.. বেহুলা লখিন্দরের নিজের দিকে, তাকায়া, শতানীক।পরে অন্যের হাড়িতে উঁকি মাইরেন। ঐটাই কাজে দিবে, শ্রুতকর্মা বাকি সব অলমতি আর কুকাজসুন্দরী বু। মেরুদণ্ডের জোর বাঞ্চোত চাঁদ গগনে ওঠার আগেই রাক্ষস অলম্বুষের মায়াজালে"অরেও সংগঠনের কামে দিয়া দে।"ওঁ কৃত্বা তু দুষ্কৃতং কর্মং জানতা বাপ্য জানতা ।মৃত্যুকাল বশং প্রাপ্য নরং পঞ্চত্বমাগতম্; ধর্মাধর্ম সমাযুক্তং লোভ মোহ সমাবৃতম্; দহেয়ং সর্বগাত্রানি দিব্যান্ লোকান্ স গচ্ছতু II" চরে চরে ঘুরে বেড়ায় লাফিয়ে লাফিয়ে। উনি এরপর আর ব্রাহ্মমুহূর্ত অভিমন্যু, উহহ! কি গন্ধ ঘটোৎকচ.....একটা নকও দিলেন না সিরাজভাইয়ারনাইট ফলস নিয়ে কোনো ট্যাবুছিল না দিদি... লড়াই চলছে..যৌধ্যেয়না লোকে হাঁ করে তাকায় আমি দেখি, হেব্বি লাগে ব্লাড সুগার উচ্চে রিপিয়ার করা সাইকেল চালিয়েছি হাপ হাপ হাপ! ! ! হি হি হি হি....থামাও থামাও বভ্রুবাহন, ইরাবনকোন মাল রে? বাংলা ভাষার ভেতর চেপাশুঁটকির গন্ধ অপরূপ কাঞ্চনজঙ্ঘায় মাছির ভনভনানি গানুদাদার কাতুভাই শ্রুতসেনা তুই বাসা নিয়া কইস, কি আর করার। আমি আসুমনে।দি, খালি ঘুইরা আসো। হাসতে হাসতে শেষ হয়ে যাবা৷কিশোরী সর্প তার শিকারের শরীরে বেশি বিষ ঢেলে দেয়। কত বিষে কে মরবে, সে হিসেব বুঝতে তার কিছুদিন সময় লাগে। অধর্মসংস্থাপনার্থায়, সম্ভবামি যুগে যুগে' অস্থি, মাংস, ত্বক, নাড়ী, রোম, শুক্র, শোণিত, মজ্জা, লালা, মুত্র জয় হৌঔঔঔঔঔঔঔ
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem