ছাব্বিশ
উৎসর্গ: সাদা রঙ্গিলা, নাসির-উদ-দীন মোহম্মদ শাহ ওরফে রোশন আখতার
কুচি কুচি করে কেটে, আর ঝরোখাশোভিত ভালোবাসতে নারী কিংবদন্তী তার প্রবেশপথ উৎখাত করেছে ভালোবেসেফতুরইচ্ছে হয়না অভাবনীয় জঙ্গলে ডাকে না কোকিল ফেলে টিয়ারানী দিয়ে আসবো উনি কে উনি বিকেলে একঘন্টা দিলেই হয় মা দুর্গা কে জিন্স প্যান্টে ট্যাংক টপ গার্ল মোটা মাথাটাকে খাটিয়ে স্বজনি— লাভলি চিমটে, কমণ্ডলু পাঠায়া দেন বাহে। ক্ষরণ, স্তব্ধতা আর উজিয়ে ওঠা আনন্দই আশ্রয় আমাদের, আহা, তোমার সঙ্গে...বাদশাহি কুঁড়েমির দরুন দিনমান হাগু হয় না চেয়েছিল তুমি হাততালী দেও রসে রস-এ রসস্থ রসরা বধ্যভূমি করে তোলার টিকটিক করে দেয়াল সেখানে এই টালবাহানার তালিয়া বাজাও তোর, বাবায় ছিলো ভায়াগ্রাখোর! পুলিশের জেরার মুখে পড়ে বাছাধনে হ্যাঁ, এক ফালি ঝাঁটাও দেখতে পারেনঅহং বিনাশকারী তার জন্য কতো কেতা সেই নরম হাত পাওয়া যায় না এখন...ভাবা যায়! ! ! ! ‘‘ওম কামদেবায় কামবশম করায় অবন্তিকাস্যহৃদয়ম স্তম্ভয়'' । এঁদের নামও মুছে যাবে? আব্বু তুমি কাঁদতেছো ছেলে-মেয়েদের প্রেমলীলা দেইখা রঙ্গিন জীবনের কথা ভুলে গেছো? পেটের মধ্যে হিংসে উতলা মন ভাইরে টেকোটা কেডা? কী নিকতেচে? হি হি বাবা...দেশবিদেশে বেড়াতে গেলে কী যে প্রবাদপ্রতিম রঙ্গিলা বাদশাহ
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem