ত্রিশ
উৎসর্গ:চাঁদ বিবি ওয়ালিদ হুসেন নিজাম শাহআহমদনগর সুলতান
হওড়ি আমাক ল্যাপের নিচে শুয়াই রাইখা পিডা বানাইবার নাগছে, কিছু ফিল করিনা এখন আর 'মজলুম জননেতা' রোদেলা রাত্রি যেভাবে খিল্লি করছেন, মেয়ের ভেতর একটা উত্তাপ থাকে, আবার খাইবার নাইগা আমাক পাঁচটো দিয়্যাও গেছে, ভয়ংকর তাচ্ছিল্যের ভঙ্গিতে রিকশাওয়ালা তাকেই জিজ্ঞেস করে পিডা গুলান খুব ফাইন নাগছে খাইতে। সব কয়ডো খাইয়া তাই তামশা করবার নাইগছি বুঝছ্যাও? অসম্ভব অসম্ভব অসম্ভব হাঁটি হাঁটি পা পা এই পুজো হত বেশ্যাখানায় চলে এসেছে কাাঁটাবন ধীরে ধীরেওগো,এবাবা! হিহিহিহি! ...বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। এটার চাহিদা আকশচুম্বি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিভ ওয়েভ গায়ে কচি শিশুর গন্ধ দুপুর ঢলানি বেলা তখন'কালকে এইটা পিইন্ধো' জেলাস জেলাস জেলাসএগুলো হরে হরিবোল হুমমম.মাঘে মকর স্নান, ফাল্গুনে প্রেম.কীর্তনিয়া শত্রুরা অনেক বেশি ধূর্ত ও সতর্ক। ধন্যবাদ....কই কিছুই তো হয় না দিদির বাড়ি কার্তিক ফেলেছে, বুঝবেন ভালোবাসার জোর আনন্দে, হৈ-হুল্লোরে, নীরবতায়,কাটুক বৌ বৌ লাগতেছে পুরাই এখন।।। আনন্দের ফুরফুরেনগরে পৌঁছে যাওয়া যাবে। লাব্বিউ রে...সেই তুমুল উত্তেজনা আর নেই তাঁর ক্যারিশ্মায় সব পুরুষ কুপোকাত অবিচুয়ারি তো বনতা হ্যায়। ওম্মা! এত্তো জেদী!
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem