জন্ম থেকে জন্মান্তরের দিকে বিষন্ন পথের ছাপ পড়ে আছে। যদিও সোনালি রোদ্দুরে আমার উপত্যকা বহু শস্যবীজের আকাঙ্খা নিয়ে জন্মেছিল।
অঙ্কুরিত শুক্রগুলি অনেক যুদ্ধের পর রক্তাক্ত মাটিতে নিজেকে স্থাপন করেছিল একটি রাত্রির ফুলের ভেতর পৃথিবীর জন্ম দিতে ।
সেইদিন পরিব্রাজকের মতো বহতা আকাশ একান্ত অন্তিমে আদিম শৃঙ্খল স্নায়ুর অজস্র পথে ভেঙে যাচ্ছিল দেহজ মহাবিশ্বের তাপীয় মৃত্যুর উন্মুখে।
ক্ষনিকের অবাধ জীবন তবুও অগাধ।
তারপর নাগরিক কোলাহল থেমে গেছে মাটি থেকে জনপ্রিয় আবাসনে। শেষ আর্তনাদ কানে এসে পৌঁছতেই বুঝেছি দিনের সমস্ত ব্যর্থতা তাকে নির্বাসনে রেখেছিল। আর কোনমতে যারা বেঁচে আছে তাদের অস্থির কল্লোল প্রাচীন স্বর্গের আঁতুড় ঘরে আবার শীতের যুগের সন্ধ্যার শরীরে নিবিড় হতে চায়।
নদীচরে দীর্ঘ কাশবন— প্রতীক্ষার পর এই ছায়াঘর মেঠোপথ আমাদের সুষুন্নায় খেলেছিল একদিন।
হেমন্ত শীতের ধূসরতা খুঁজতে খুঁজতে পৌঁছেছি তোমার কাছে। তোমার আমার সোনালি অস্তিত্বে খেলা করে মহাবিশ্বের তাপীয় মৃত্যু— তবুও জীবন অগাধ অগাধ।
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem