জয়িতাভট্টাচার্যের জন্য প্রেমের কবিতা
তোর আঘাতের ভেতরে যে প্রতিধ্বনিগুলো
পুরোনো কান্নায় সাজিয়ে রেখে দিয়েছিস
সেখানে কেঁপেছি আমি প্রতিটি রঙের অন্ধকারে
কথার সঙ্গে কথা ঘর্ষণের ভাষায় অরগ্যাজম
শব্দ-বাক্য-ইশারার চোরাবালি ছাড়া গতি নেই
যা পেয়েছিস জীবনানন্দ-শক্তি-বিনয়ের ঈর্ষার
দুর্বলতায়; সৌভাগ্য যে রবীন্দ্রনাথের প্রেমে
উষ্মা ছিল না । তাই তোর ঘষাকাচ-দেহ কেবলই
হ্যামলেটদের পায়, সিগ্রেটে লবঙ্গের ধোঁয়া-
অথচ শব্দে তো আদর-ভরা, তোর ও আমার
ঈর্ষার ব্যথায় নুয়ে অসম্ভাব্যতার ট্রুব্যাডুর
তোর হ্যামলেট জানতো না ফোর-প্লের রস
প্রেমিকের সর্বনাশা আত্মপরিচয় নিয়ে আমি
বলছি সহ্য করিসনি অপ্রেমের ক্ষমতার চাপ
সন্দেহবাতিকে নষ্ট বিছানার ফুলেল অথৈ
চলে আয় ঝুনু চন্দ্রা জুন জায়গা বদল করি
আমি ঘোড়া তুই মন্ত্রী প্রেমের সাদাকালো খোপে
খেলি যন্ত্রণার নিরাময়, ট্রমা, আত্মপ্রবঞ্চনা,
তাড়নার পীড়া, সংকট-জর্জর মতিচ্ছন্ন মোহ
জানি ভাবছিস তুই ঝিনুকের ভেতরে রয়েছিস
অপ্রেমের কারাগারে মুক্ত হয়ে কারো আঙুলের
আঙটিতে বাইরে বেরিয়ে দেখবি গুপ্ত হাহাকার
তোর ওই হ্যামলেটের প্রেমক্রিয়া অবসিতকাল
ভেবেও দেখিসনি কেন ঘটমান সন্নিধি নয়
আমি চাই কাঁদ, হ্যাঁ, কাঁদ তুই, আঘাতের
ভেতরে যে প্রতিধ্বনিগুলো সাজিয়ে রেখেছিস
ঘুর্ণির ল্যাজের মতো পাক খেয়ে আছড়ে পড়ুক
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem