বয়স মাত্র পনের বছর, ছিলাম বেশ
পড়াশুনায় ভাল মতি, ছিল তা অশেষ
এই কারনে পিতা-মাতা রাখত আমায়
যত্নে
রচিয়াছিল বহু আশা তারা স্বপ্নে-
ছেলে তাদের হবে জ্ঞানী, করবে বড় চাকরি
কখন কখন অজানা কারনে হোত মন ভারী
তাই পিতা-মাতা কখনও বা দিত আদেশ-
পঞ্চজনে মিশিলে হবেনা জীবনে ক্লেশ
তাহা বুঝি তাই শুরু করি বন্ধুগন ণির্মিতে
ষড় বছর কাটিল তাই বন্ধুগনে মিশিতে
ষড় বছর শেষে হ'ল নতুন বন্ধুর দেখা
যাহার প্রেমের গভীরতা যায় না লেখা।
দু'হাজার এক সাল হলাম দশমে উর্ত্তীন্ন
এর'ই পরে জীবন ভাবনা লাগিল হতে ভিন্ন
মনের খেয়ালে ঘুরিফিরি, চঞ্চল মন
গৃহ বসে পাঠদান কালে চিন্তি ক্ষণে-ক্ষণ
বন্ধু সে ত নয় বন্ধু, সাক্ষাৎ পরী
ইহা ভাবি কখনও বা তার বাড়ির পাশে ঘুরি
কখনও বা পদচারনে, কখনও বা চক্রযানে
কারন তাহারে দেখিলে যে শান্তি পাই প্রাণে।
বড় ঘরের সুন্দরী মেয়ে বন্ধু আমার
তাই প্রাণে বড় সাধ হ'ল হব আমি তার; -
পড়াশুনার ফাঁকে ফাঁকে রচিলাম ফাল্গুনী
ধীরে ধীরে পেলাম মন, হলাম তার মণি
দারুন ফর্সা, দারুন হ্বৃদী, নাম তার গীতা
তিন মাসে সময় কালে সে ছিল মোর সীতা।
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem