সব আয়োজন সম্পূর্ন করেছি— ঠিক তারপর মনে পড়েছিল হেমন্ত রাত্রির খুব কাছেই আমার বাড়ি ছিল। শীতের পাখির আনাগোনা সেদিন উৎসব ছিল।
শব্দের ভেতর দীর্ঘ নির্জনতা ছুঁয়ে জীবনের মৃত কোষ এভাবেই ভেসে গেছে সাধকের জীবন চেয়ে ।
যে গিয়েছে চলে সে আবার ফিরে এলো। সেইখানে স্থির চিত্রে শুধু শব্দের সন্ধান বেঁচে থাকে— সেই চিহ্নটুকু একাকী আমার।
তরঙ্গ ভাস্কর্যে একটি স্মৃতির ছবি আজ দীর্ঘশ্বাস হল।
শ্মশানের নদীজলে ধোঁয়ার কুণ্ডলী মিশে যাচ্ছে। সেখানে আমারই প্রতিবিম্ব ভাসে ।
শূন্যতার কাছে কিছু ঋণ শস্যের শেকড়ে পৌঁছে দিলে দেখেছি নিসঙ্গ অন্ধকারগন্ধ তোমার আমার ঘনিষ্ঠ মৃত্যুকে অতিক্রম করে রোদ্দুরের যন্ত্রণার জন্ম দেয়।
অবিরল সময়ের প্রবাহে দহনে দহনে পাপের ভ্রূণ পুড়ে গেলে প্রাণের কলরোলে হিমদুঃখে আমাদের চেতনার বয়স বেড়ে যায় কোন এক বিষন্ন সন্ধ্যায়।
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem