ছেঁড়া ডায়েরির ছেঁড়া পাতাগুলোই তো সাক্ষী
ওপারের শ্রাবন্তীর ভাঙা মনের অশ্রু শ্রাবন ধারার।
ব্যাধিগ্রস্ত পঙ্গু একবিংশ উন্নত মহাভারত সমাজ
কবে শিখবে নারীর চোঁখের আলোয় আলোকিত হতে?
বৃদ্ধ বাপ ছুটি খোঁজে ছাদনাতলায় কন্যা সম্প্রদান করে,
ওই বাড়িতে কেমন আছে নোয়া পরা তোমার মেয়ে?
রামায়নের খুন্তি ছোড়া কলহ আজ আছে ইন্টারনেটের যুগে,
গিরগিটি মনন রঙ বদলেছে শুধু, স্বভাবের কপিটা অভিন্ন।
মরতে হয় পড়তে চেয়ে বেশি, পিতা নিভৃতে একা কাঁদে,
ওরা হয়তো শাস্তি পাবে, জেলও হবে, কিন্তু কোথায় সমাধান?
ঘন্টাখানেক সন্ধ্যা আসর বসবে, আলোচনা হবে কফির কাপে,
আবার অন্য এক শ্রাবন্তীর কথা লিখবে বর্তমান এই সময়।
থাকতে পারি না তাই লিখি ছন্দহীন ব্যর্থ করুন কবিতা,
বৃথা, ব্যর্থ, ফালতু, ফাঁকিবাজি, অলস এক প্রচেষ্টা মাত্র।
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem