অ-বাবুর সংসারে সর্বদাই হাহাকার
নুন আনতে পান্তা ফুরোয়,
মেয়েটাকে ইঞ্জিনীয়ারিং পড়িয়েছিলো
প্রভিডেন্ট ফান্ড নিংড়ে নিয়ে
মেয়ের সাধ ছিল এম বি এ পড়ার,
অ-বাবু সে সাধও অপূর্ণ রাখেন নি
মেয়ে পড়েছিল এডুকেশন লোনে।
বিদেশি কোম্পানীতে চাকরী হলো
ষোল লাখ টাকা প্যকেজ
অ-বাবু মুচকি হাসলেন
গিন্নী তারাপীঠে পূজো দিয়ে এলেন
কিন্তু মেয়ে এক মাসের মাথায়
বিয়ে করে শ্বশুড়বাড়ী চলে গেল
বাবা অপলক চোখে তাকিয়ে থাকলেন।
বেয়ান বললেন...
বৌমা দশ লাখ টাকা ব্যাংক-লোন
মাথায় নিয়ে ঘরে ঢুকুক
এ আমি চাই না । আপনি বাবা …
মেয়েকে পড়ানোর দায় আপনার
ব্যাংক-লোনের কিস্তি
আপনি চালাবেন, আপনার মেয়ে নয়।
অ-বাবুর মেয়ের
ষোল লাখ টাকা প্যকেজ
কিন্তু আজও অ-বাবু
প্রতি মাসের এক তারিখে
ব্যাংকে দৌড়োয় কিস্তি দিতে
অ-বাবুর ঘরে এখনও
নুন আনতে পান্তা ফুড়োয় ।
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem