গৃহিণী
এক ভদ্র মহিলা পাসপোর্ট অফিসে গেলেন
তার পাসপোর্ট করাতে
অফিসার শুধালেন, আপনার পেশা কি?
মহিলা বললেন...
আমি একজন গবেষক
চ্যালেঞ্জিং প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করি
শিশুর মানসিক বিকাশ
শারিরীক বিকাশ
ইত্যাদি পর্যবেক্ষণ করি
তার ভিত্তিতে পরিকল্পনা তৈরী করি
এবং তা প্রণয়ন করি
বয়স্কদের পরিচর্যার দিকে খেয়াল রাখি
সুস্থ পরিবার ও সমাজ নির্মাণে
নিরলস পরিশ্রম করি
রাষ্ট্রের কাঠামোগত ভিত মজবুত করি
প্রতিটি মূহুর্তে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হই
দক্ষতার সাথে তার মোকাবিলা করি
কারণ, আমার সামান্য ভুল
পরিবারের বিশাল ক্ষতি করে দিতে পারে
আমার প্রকল্পের কাজ এতো দূরহ
আর কষ্ট সাধ্য যে
দিনের পর দিন আঙুলের নখ দিয়ে
সুবিশাল একটি দীঘি খনন করা
তার চেয়ে অনেক সোজা ।
আমার রিসার্চ প্রজেক্ট অনেকদিন ধরেই চলছে
সর্বক্ষণ আমাকে ল্যাবরেটরি
এবং তার বাইরে অনেক কাজ করতে হয়
আহার ও নিদ্রার সময়ের ঠিক নেই
সর্বদা সজাগ থাকতে হয়
দুজন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অধীনে
মূলত আমার কাজ
(স্রষ্টা ও বিবেক)
এখন আমি সমাজবিজ্ঞান, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান
আর পরিবার-বিজ্ঞান
এ তিনটি ক্ষেত্রেই একসাথে কাজ করছি,
যা পৃথিবীর সবচেয়ে জটিলতম বিষয়
প্রকল্পের চ্যালেঞ্জ হিসাবে
একটি অটিস্টিক শিশুর পরিচর্যা করে
মানুষ হিসাবে গড়ে তুলছি।
অফিসার হাঁ হয়ে শুনছিলেন
এবার বললেন
এক কথায় বলুন তো, আপনার পেশা কি?
মহিলা বললেন.... আমি একজন 'মা'
আপনাদের ভাষায় গৃহিণী।!
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem