১৯৯৪ সালের কথা...
দিল্লীতে ঘরনী থাকতো না
কিন্তু একটা ঘর ছিল
মানে ভাড়ার ফ্ল্যাট
একটি ছেলে থাকত আমার সাথে
নাম সমীর কুমার দাস
নর্থ ব্লকে চাকরী করত
নতুন চাকরী
হাওড়ায় বাপ-ঠাকুরদার বাড়ী ।
শান্ত-শিষ্ট, মেধাবী...
বয়স বাইশ-তেইশ হবে
বুদ্ধি-সুদ্ধি, আচার-আচরন
সবই ভাল ছিল
শুধু সিডিউল কাস্টদের দেখতে পারত না,
দিন নেই রাত নেই
ওদের গালমন্দ করত ।
একদিন ছুটিতে বাড়ীতে ছিলাম
একাই।.....
বিছানা রোদে দিচ্ছিলাম
হঠাৎ সমীরের ডিভানে....
ঠিক গদির তলায়
আবিস্কার করলাম একটা সার্টিফিকেট
সিডিউল কাস্ট সার্টিফিকেট
অরিজিন্যাল।....
নাম সমীর কুমার দাস
স্তম্ভিত হয়েছিলাম ওটা দেখে...
কি সাংঘাতিক ছেলে রে বাবা
ময়ূরপূচ্ছধারী কাক
নিজেকে আড়াল করার নতুন পন্থা
ও তো ঠান্ডা মাথায়
মানুষ খুন করতে পারে
পরদিনই দূর করেছিলাম ওকে ।
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem