একদিন হেঁটে হেঁটে চলেছি
সবুজ মাঠে ঘেরা দিগন্তরেখার দিকে;
নীল আকাশে সাদা বলাকা উড়ে যায়
অজানা অসীম অনন্তে।
মন যেন দুরু দুরু করে,
কেন হেন হয় জানি না,
হয়তো হারাতে চায় সবকিছু।
হটাৎ করে কে যেন ডাকে,
চেনা গলায় অচেনা সুর,
হয়তো শুনেছিলাম দারুচিনি দ্বীপে।
ভাবতে ভাবতে অন্ধকার নামে পড়ন্ত বিকালে,
শান্ত বলদ ক্লান্ত পথে ধান আনে।
কাল নবান্ন, আর বলদগুলোর ছুটি,
মহানন্দ নামে আকাশের আঁধারে,
বাড়ি যেতে মন চাই কি?
মনে হয় গেরুয়া পরে চলি অনন্ত পথে,
কেউ বলবে না কিছু সন্ন্যাস যাপনে।
নিয়ম সমাজের ভয়ানক ব্যাধির বিরুদ্ধে
টিকা নিয়ে নিতে মন চাই কি?
সূচ ফুটুক না আর একবার, ক্ষতি কি?
ফুল ফুটেছে, তবু বসন্ত আজও আসেনি,
আর ফোঁটা ফুলে ধরেছে পোকা,
কীটনাশকে ডুবিয়েছি কুঁড়ি,
পোকার বংশ করেছি নির্বংশ।
ফুল ফুটেছে, তবু ফুলে গন্ধ নেই,
তাতে কি, আজ নতুন গন্ধ কিনেছি,
বিয়ে বাড়ি যাবো বলে...
তাকানো চোঁখে হটাৎ পোকার আগমন,
আতকে উঠে দেখি গাঢ় সন্ধ্যা নেমেছে বুকে,
খেয়াল হলো, বাড়ি ফিরতে হবে!
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem