ভোঁদড় কে ভোঁদড় বললে ব্যাকরণের অশুদ্ধি হয়, কিন্তু সত্যের পবিত্রতা রক্ষা হয়। আমি যখন বলি- বঙ্গদেশ বা ভারতবর্ষে মূর্খ আর ভোঁদড়দের রাজত্ব চলছে; তখন ভোঁদড়দের অভিমান হয়। বেলুড়ের ঘটনা কি চোখে আঙুল দিয়ে প্রমাণ করে না- কতখানি ভোঁদড় আমাদের রাজা, তার পারিষদ আর অন্যান্যরা?
তাবলে কি বঙ্গদেশে যথার্থ পন্ডিত নেই? আছে। কিন্তু ভোঁদড় রাজা আর খ্যাঁকশেয়াদের এতোটাই দাপট যে- নিরীহ পন্ডিতদের লেজ গুটিয়ে বসে, তামাশা দেখা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না। আমি আবার বলছি- আজকের বঙ্গরাজা আর তার পারিষদ, চরম মূর্খ আর ভোঁদড় ছাড়া কিছুই নয়। এদের অভিমান আছে, শেখার চেষ্টা নেই। এদের ক্ষমতার লোভ আছে, কিন্তু মানুষ সুলভ কোন ক্ষমতা নেই। এদের পাশবিক হিংস্রতা আছে, মানুষের কোন গুণাবলী নেই। প্রায় প্রতিদিন- অনভিপ্রেত মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। তবুও রাজা নির্বিকার! পারিষদ নির্বিকার! জনগন নির্বিকার! মানুষের মৃত্যু যখন দাগ কাটে না বুকে, তখন ইচ্ছে কি করে না জিজ্ঞেস করতে- আমরা মানুষ কি না?
তোমরা জানো, কদিন আগেই আমি লিখেছিলাম- পুরো বঙ্গদেশ একটা মরণ ফাঁদ। যে কোন মুহূর্তে যে কারও মৃত্যু ঘটতে পারে। উপর দিকে তাকাও- ইলেকট্রিক তার দিয়ে তৈরী মৃত্যুর ফাঁদ। নীচের দিকে তাকাও- রাস্তার উপর মৃত্যুর কালো গহবর। পূর্ব দিকে তাকাও- বহুতল বাড়ির দেওয়ালে মৃত্যুর হিংস্র "হাঁ"। পশ্চিম দিকে তাকাও- মৃত্যু নামে বোমা তৈরীর কারখানা। পবিত্র বেলুড়ের দিকে তাকাও- সেখানে মৃত্যুর বিষাক্ত নিঃশ্বাস। কি দেখছো তাহলে? প্রতিমুহূর্তে মৃত্যুর হাতছানি। ঈশ্বর যারা বিশ্বাস করে না- তাদেরকে আমার প্রশ্ন, ঈশ্বর বলে যদি কেউ নেই, এতো এতো মৃত্যুর ফাঁদ থাকা সত্বেও, বঙ্গবাসী হুঁকো টানতে টানতে বেঁচে আছে কি করে?
৯ কোটি বঙ্গবাসীর সবাই যদি আমার বিপক্ষে যায়, তাতে আমার বয়েই গেলো। তবুও আমি বলবো- মমতা ব্যানার্জীর মতো এতো মূর্খ, আহাম্মক, হিংস্র আর অহঙ্কারী মুখ্যমন্ত্রী পৃথিবীর ইতিহাসে নেই। মুর্খামির দাঁড়িপাল্লায়- লালু যাদব, রাবড়ি দেবী, মায়াবতী ইত্যাদিকে তুড়ি মেরে হারিয়ে দেন উনি। যারা মমতা ব্যানার্জীর হাত ধরে, বঙ্গ প্রগতির স্বপ্ন দেখে, তাদেরকে বলি- "আপনারা তামাকে টান দিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখুন। একদিন মৃত্যু এসে আপনাদেরকে জাগিয়ে দেবে।"
বিধান রায় বঙ্গদেশকে উঁচুতে তুলেছিলেন- কারন মস্তিষ্কে ওনার ঘিলু ছিলো। তার সঙ্গে ওনার 'বিনয়" বলে, একটা মানবিক গুণ ছিলো। আজকের মুখ্যমন্ত্রী একে তো গন্ড মূর্খ তার উপর গোঁয়ার আর হিংস্র। এ যেন গোদের উপর বিষফোঁড়া। বঙ্গবাসী কাতরে কাতরে মরবে না তো, স্বর্গের দেবতা মরবে?
ব্রিজ তৈরী চলছে- ব্রিজ ভেঙে শত লোক মরে গেলো। হাসপাতালে রোগী শুয়ে আছে- সেখানে শত রুগী আগুন আর ধোঁয়ায় ঝলসে মরে গেলো। বাস চলছে- হটাৎ সে পুকুরে গোঁত্তা দিয়ে ঢুকলো। ফল? শত মানুষের সলিল সমাধি! যে প্রশাসন সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিৎ করতে পারে না, তা প্রশাসন অথবা ইয়ার্কি মারার জায়গা?
এরপরও ভোঁদড় রাজা আর তার হুক্কাহুয়া ডাকা শেয়াল বাচ্চারা, রাস্তায় রাস্তায় রাতদিন ঢোল পেটাচ্ছে- "ভাসিলো বাংলা ভাসিলো, উন্নয়ন জোয়ারে ভাসিলো "!
ওহে চিত্রগুপ্ত, তোমার প্রভুকে একটু বলো না- এই পাপী অরুণ মাজীকে, উনি যেন একটু তাড়াতাড়ি তুলে নেন! বঙ্গ সন্তান হয়ে, বঙ্গরাজ্যের এই অধঃপতন আর চোখে দেখতে পারি না! বুকটা ডুকরে ডুকরে কেঁদে উঠে গো,বুকটা ডুকরে ডুকরে কেঁদে উঠে।
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem