দলিল - reference·Monday,7 August 20171 read
কবর যিয়ারত
কবর যিয়ারত করা সুন্নাত। প্রতি সপ্তাহে একদিন যিয়ারত করা চাই। শুক্র, বৃহস্পতি, শনি ও সোমবার যিয়ারত করা উত্তম। সবচেয়ে উত্তম হচ্ছে জুমআর দিন সকাল বেলা। আউলিয়া কেরামের মাযারসমূহে সফর করে যাওয়া জায়েয। আউলিয়া কেরাম তাদের যিয়ারতকারীদের উপকার করেন।
নোট: আউলিয়ায়ে কিরামের মাজার শরীফ যিয়ারত করা, ওরস করা, গিলাফ চড়ানো ইত্যাদি যাবতীয় বিষয় দলিলসহ বিস্তারিত জানতে- জা'আল হক, আহকামুল মাজার, ও সাহায্য প্রার্থনার শরয়ী বিধান ইত্যাদি বইগুলো পড়ুন।
কবর যিয়ারতের নিয়ম
পায়ের দিক থেকে গিয়ে মৃত ব্যক্তির মুখের সামনে দাঁড়াবে এবং নিম্নলিখিত দোয়া পড়বে।
اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ اَهْلَ دَارِ قَوْمٍ مُّؤْمِنِيْنَ اَنْتُمْ لَنَا سَلَفٌ وَّاِنَّا اِنْشَاءَ اللّٰهُ بِكُمْ لَاحِقُوْنَ. نَسْئَلُ اللّٰهَ لَنَا وَلَكُمُ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ يَرْحَمُ اللّٰهُ الْمُسْتَقْدِمِيْنَ وَالْمُسْتَأخِرِيْنَ. اَللّٰهُمَّ رَبَّ الْاَرْوَاحِ الْفَانِيَةِ وَالْاَجَسَادِ الْبَالِيَةِ وَالْعِظَامِ النَّخِرَةِ اَدْخِلْ هٰذِةِ الْقُبُوْرَ مِنْكَ اَرْوَاحًا وَّ رَيْحَانَا وَّمِنَّا تَحِيَّةً وَّسَلَامًا-
উচ্চারণ- আসসালামু আলাইকুম আহলা দারি ক্বাওমিম মু'মীনীনা আনতুম লানা সালাফুও ওয়া ইন্না ইনশা- আল্লাহু বিকুম লাহিকুন, নাসআলুল্লাহা লানা ওয়ালাকুমুল আফওয়া ওয়াল আফিয়াতা ইয়ারহামুল্লাহুল মুস্তাক্বদিমীনা ওয়াল মুস্তাখিরীন, আল্লাহুম্মা রাব্বাল আরওয়াহিল ফানিয়াহ ওয়াল আজসাদিল বালিয়াহ, ওয়া ইযামিন নাখিরাহ আদখিল হাযিহিল কুবূরা মিনকা আরওয়াহান ওয়া রায়হানাও ওয়ামিন্না তাহিয়্যাতাও ওয়াসালামান।
এরপর সূরা ফাতেহা পাঠ করবে এবং বসতে চাইলে এতটুকু দূরত্বে বসবে, যে পরিমাণ দুরত্বে তার জিন্দেগীতে তার পাশে বসা হতো। (রদ্দুল মুহতার)
মৃত ব্যক্তির মাথার দিক দিয়ে আসবে না। সেটা মৃত ব্যক্তির কষ্টের কারণ হয়ে দাড়ায়। কারণ তখন মৃত ব্যক্তিকে ঘাড় ফিরায়ে দেখতে হয়।(রাদ্দুল মুহতার, বাহার)
ইসালে সাওয়াব
নামায, রোযা, হজ্জ যাকাত, সদক্বাহ, খায়রাত এবং সব রকমের ইবাদত, নেক আমল, ফরয ও নফলের সাওয়াব মৃতদেরকে পৌছানো যায়। তাদের সবার কাছে এ সাওয়াব পৌছবে এবং তা যে পৌছায় তার সাওয়াবের মধ্যে কোন কমতি হবে না। খোদার রহমতে এটা আশা করা যায় যে, সবার পূর্ণ সাওয়াব অর্জিত হবে। এ রকম নয় যে, ঐ সাওয়াব ভাগাভাগি হয়ে যাবে। (শরহে আকাইদ, হেদায়া, আলমগীরী, রদ্দুল মুহতার)বরং আশা করা যায় যে, ঐ সাওয়াব যে পৌছাবে সে ঐসকল সাওয়াব প্রাপ্ত মৃতদের সমষ্টির বরাবর পাবে। যেমন কেউ কোন নেক কাজ করল, যার সাওয়াব হল কমপক্ষে দশ। সে এর সাওয়াব দশজন মৃতব্যক্তিকে পৌঁছাল, তাহলে প্রত্যেকে দশ দশ লাভ করবে এবং যে পৌঁছাল সে একশ লাভ করবে এবং এক হাজারকে পৌছালে, দশ হাজার লাভ করবে। এভাবে যত বেশী জনকে পৌঁছাবে, তত বেশীলাভ করবে। (ফতওয়া-ই রযভীয়্যাহ)
কবরে ফুল দেয়া ভাল কাজ। এ ফুল যতক্ষণ তাজা থাকবে, ততক্ষণ তাসবীহ পাঠ করবে এবং মৃত ব্যক্তির আত্মা তৃপ্তিবোধ করবে। (রাদ্দুল মুহতার, বাহার)
অনুরূপ জানাযার উপর ফুলের মালা দিলে কোন ক্ষতি নেই। (বাহারে শরীয়ত)
কবরের উপর থেকে তাজা ঘাস উঠিয়ে ফেলা অনুচিত। কারণ ঘাসের তাসবীহ দ্বারা রহমত অবতীর্ণ হয় এবং কবরবাসীর আরামবোধ হয়, আর ঘাস উঠিয়ে ফেললে তা দ্বারা মৃত ব্যক্তির হক্ব বিনষ্ট করা হয়। (রদ্দুল মুহতার ও বাহারা)
আউলিয়া ও উলামায়ে কেরামের মাযারের উপর গিলাফ দেয়া জায়েয, যদি এ উদ্দেশ্য হয় যে, মাযারবাসীদের মর্তবা সাধারণ লোকদের সামনে প্রকাশ হোক এবং লোকেরা সম্মান করুক এবং বরকত হাসিল করুক। (রদ্দুল মুহতার)
(copy from FB friend))
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem