ঈদ হল আনন্দ
মিলাদ হল জন্ম দিন
তাই নবি সঃ এর জন্ম দিনের আনন্দ
তিনি সকলের নবি
তিনি সব ধর্মের নবি
তিনি আসমান ও জমিনের সকল সৃষ্টির নবি
রাহ্মাতাল্লিল আ'আলামিন
সকল সৃষ্টির শান্তি দাতা
"হে রাসূল দ.আমি আপনাকে সৃষ্টিতে যত জগৎ আছে সব জগতের প্রতি করুণা (রহমত)স্বরূপ প্রেরণ করেছি।" (সূরা আম্বিয়া: ১০৭)
"আমি আপনাকে পৃথিবীর সব মানুষের জন্য সুসংবাদদাতা ও সতর্কতাকারী হিসেবে প্রেরণ করেছি।" (সূরা সাবা: ২৮)
আল্লাহ্ মু'মিনদের প্রতি রাসূল প্রেরণ করে বড় অনুগ্রহ করেছেন (সূরা আলে ঈমরান: ১৬৪)
উপরের তিনটি আয়াতে স্পষ্টভাবে রাসূল দ. কে মুমিনদের জন্য রহমত, দয়া ও বড় দান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যত্র বলা আছে এক্ষেত্রে কী করণীয়,
"আল্লাহ'র দয়া ও রহমত প্রাপ্তিতে তাদের খুশি হওয়া কর্তব্য এবং তা তাদের সঞ্চিত সমস্ত সম্পদ থেকেও উত্তম।"অর্থাৎ, ঈদে মিলাদুন্নবী দ. পালন করা আমাদের কর্তব্য এবং ঈদে মিলাদুন্নবী দ. পালন আমাদের সমস্ত সম্পদ থেকেও উত্তম।
দু'জন আলাদা নবীর নাম উল্লেখ করে জন্মদিন, ইন্তিকাল দিবস ও কিয়ামাতে পুনরুত্থান দিবসে তাঁদের প্রতি সালাম জানানোর আদেশ করেছেন আল্লাহ্ পবিত্র কুরআনের সূরা মারিয়ামে:
"সালাম হোক তাঁর জন্ম দিবসে, তাঁর পরলোকগমন দিবসে ও তাঁর পুনরুত্থান দিবসে।"
এখানে তিনটি বিষয় উল্লেখ্য, প্রথমত, যে কোনও মর্যাদা যখন একাধিক নবীর ক্ষেত্রে বলা হয়, তা সম্মানসূচক হলে সব নবীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। দ্বিতীয়ত, উম্মতের জন্য নিজ নবীর প্রতি তা বিশেষ পালনীয় কর্তব্য হয়ে পড়ে। আর তৃতীয় ও চূড়ান্তরূপে, রাসূল দ.'র মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব অপরাপর সকল নবীগণের উপরে- সে কারণে অপরাপর নবীগণের উপর যে তা'জিম, মুহাব্বাত ও আদব অন্তরে ধারণ করে তা পালন করা কর্তব্য, তা আমাদের শেষ নবী শ্রেষ্ঠ নবী পুরো মানজাতির নবী দ.'র প্রতি পালন করা আরো বেশি কর্তব্য।
তাঁর দ.প্রতি কত গভীরভাবে এ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করতে হবে তা আল্লাহ্ জানাচ্ছেন, "নিশ্চঈ আল্লাহ্ ও তাঁর ফেরেশতারা সালাত (দরুদ)প্রেরণ করেন এঈ নবী দ.'র প্রতি। হে মু'মিনরা! তোমরাও তাঁর প্রতি সালাত প্রেরণ করো এবং অতি বিনয়ের সাথে সালাম প্রেরণ করো।"
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem