যখন আমার কফিন নিয়ে যাবে,
তুমি কখনো এটা ভেবো না-আমি এ পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাচ্ছি!
চোখ থেকে অশ্রু ফেলোনা, মুছড়ে যেওনা গভীর অবসাদে কিংবা দুঃখে- আমি পড়ে যাচ্ছি না -কোন অন্তর্হীন গভীর ভয়ংকর কুয়ায়!
যখন দেখবে আমার মৃতদেহ নিয়ে যাচ্ছে,
তুমি কেঁদোনা- আমি কোথাও যাচ্ছি না,
আমি কেবল পৌঁছে যাচ্ছি অনন্ত প্রেমে।
আমাকে যখন কবরে শোয়াবে,
বিদায় বলো না- জেনো, কবর কেবল একটা পর্দা মাত্র,
এটা পেরোলেই স্বর্গ।
তুমি কেবল দেখো আমাকে কবরে নামতে
এখন দেখো আমি জেগে উঠছি!
কীভাবে এটার শেষ হয় সেখানে, যখন সূর্য অস্তাচলে যায় কিংবা চাঁদ ডুবে?
এটা মনে হবে এখানেই শেষ, অথচ এটা অনেকটা সূর্য উঠার মত,
যখনই কবর ঢেকে দেয়া হবে- ঠিক তখনই তোমার আত্মা মুক্ত হবে,
তুমি কি কখনো দেখছ একটা বীজ মাটিতে বপিত হয়েছে,
কিন্তু নতুনভাবে জন্মায়নি?
তাহলে তুমি কেন সন্দেহ করো- মানুষ নামের একটা বীজ জাগবে না?
তুমি কি কখনো দেখেছো, একটা বালতি কুয়ায় নামানো হয়েছে অথচ এটা খালি ফিরে এসেছে?
তাহলে তুমি কেন আহাজারি করো একটা আত্মার জন্য,
যখন এটা কুয়া থেকে উঠে আসে ইউসুফের মত!
যখন তুমি শেষবার নৈঃশব্দে ডুববে, তোমার শব্দ ও আত্মা পৌঁছে যাবে এমন এক পৃথিবীতে যেখানে কোন স্থান নেই,
সময় বলে কিছু নেই!
.
-হযরত মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমী (রহঃ
(সংগ্রহ))
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem