শৈশবের পাথর মোড়া পাহাড়ি পথ পেরিয়ে
ধীর গতির হামাগুড়ি দৌড় আর কলতানে
কুলুকলু জলধারা এগিয়ে চলেছিল ওই
কৈশোরের পবিত্র রাস্তায় একটু গতি বাড়িয়ে;
হামাগুড়ির ক্ষীণ প্রভা আজ ভালোই গতিশীল।
খাঁড়া পাহাড় শেষ হতেই ঝড় ঝঞ্জার কাল আগত,
সুউচ্চ কৈশোরের পাহাড় থেকে পরিণত সমভূমিতে
পড়লাম যৌবনের ক্ষনিক উগ্র ঝরনা গতির গর্জনে।
একা আমি পরিণত সমভূমিতে ধীর গতিতে ধাবমান,
বহু বাধা, আঁকাবাঁকা পথ ভেঙে এগিয়ে চলেছি আমি,
অভিজ্ঞতার জীবন নদী আজ বেশ প্রশস্ত বহু আঘাতে।
অজানা এক উপনদী মিললো আমার এ জীবন ধারায়,
গতি বাড়িয়ে প্রাণ চঞ্চল আনন্দ ধারা আজ বাধাহীন।
গতিপথ বেড়েছে মোর, দায়িত্বের জলভার কালের নিয়মে
বইয়ে দিয়েছি দুস্টু দুই উপনদী পথে, হালকা হয়েছি আমি।
ওই সমুদ্রের ডাক শুনে আমি মোহনায় মিলে হবো চিরবিলীন।
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem