তোমার তখন ঊনিশ
আর আমার- একুশের একটু কম।
আর সময়ের?
কি জানি?
হয়তো বা বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে।
তুমি জানতেও পারলে না
কি যেন একটা ঘটে গেলো তখন।
কি আশ্চর্য্য তাই না?
কি সাংঘাতিক একটা ঘটনা ঘটে গেলো
অথচ তুমি তা টেরও পেলে না!
অবশ্য সব কথা
সবাইকে সব সময় জানতে হবে
সেই বা কেমন কথা?
কিছু ঘটনা অদৃশ্য থাকা ভালো
কিছু প্রাপ্তি আড়ালে থাকা ভালো।
কে জানে? মানুষের আবার
কখন কি দরকার হয়!
হয়তো আজ তোমার দরকার নেই।
কিন্তু কাল?
তা দরকার তোমার হতেই পারে।
কিন্তু কখনো কি
দরকার তোমার হবে অনামিকা?
নয় নয় করে
আট আটটা বছর হলো আজ।
অথচ আজও তোমার
আমাকে দরকার হলো না!
এতো লোকের
নিত্য নতুন কত কি দরকার হয়।
অথচ তোমার?
সামান্য আমাকে দরকার হলো না?
সুখের দিনে দরকার না হোক
দুঃখের দিনে তো হতে পারে।
সজ্ঞানে দরকার না হোক
খেয়ালের খেলাতে তো হতে পারে।
অথচ কি আশ্চর্য্য তাই না?
এতো লোকের চাঁদের দরকার হয়
গ্রহ নক্ষত্র সূর্য ধূমকেতুর দরকার হয়।
আর তোমার?
সামান্য আমাকে দরকার হলো না!
এ তোমার বৈরাগ্য?
অথবা আমার নিয়তি?
এ তোমার অভিমান
অথবা কখনো
জোর করে তোমার ঠোঁটে ঠোঁট রেখে
"তুমি আমার অনামিকা"
বলতে না পারার প্রায়শ্চিত্ত?
যদি বলো প্রায়শ্চিত্ত
তো আজই তা শেষ করতে পারি।
আজই আমি তোমার বাড়ি এসে
সমাজ আর সংস্কারকে কাঁচ কলা দেখিয়ে
তোমাকে ছিনিয়ে আনতে পারি।
পারি। এখনই পারি।
এই মুহূর্তেই পারি।
কিন্তু... সে অধিকার কি
আমাকে তুমি দেবে অনামিকা?
© অরুণ মাজী
Painting: Hemen Mazumdar
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem