ছুটে ছুটে ভেসে যায় শহর,
ভেজা ভোরে শুনি পুষ্পের সুভাষ;
আমিও তখন আলোকবর্ষ পেরিয়ে,
ছেড়ে দিই দিগন্তের র্দীঘ নিঃশ্বাস!
আলো আঁধারে সাদা বকগুলো কালো,
আমিও ছুটি কালো মায়াজালি;
তবুও দিনে মেঘ নেয়নি ছুটি,
অদ্ভুত এক আনকোড়া বেখেয়ালি!
ওরা সব চুপচাপ, প্রতিধ্বনি বিজ্ঞানে,
সাদা ক্লাসরুমে, খোদাই টেবিল একঘেঁয়ে;
ঝিমুনি নেমেছে দুপুরের স্কুল মাঠে,
ওরা কাজ করে অনন্ত ঘেমে- নেয়ে!
থেমে যায় গ্রাম, মাঝি আর মহালয়া
কাশ দিয়ে কঙ্কাল মেয়ে ঝাঁটা বোনে;
খেয়ালি এক সুরের দেশের সীমান্তে
আজন্ম কত যুদ্ধ-গল্প জীবন শোনে!
ক্যাকটাস গান লেখে, কাঁটাগুলো সুর
মহালয়াতে জীবনই জীবন্ত অসুর;
বর্ষার সবুজে বসন্তের আবির
কপোত কপোতি বাসা বেঁধে প্রেমাতুর!
ভেঙে যায় বাসা, ঝড়ো শীত কাতরে
কোকিল তো ডাকবেই, বসন্ত বিহারে;
খেয়ালি গান, নৌকা দিলো সুরবিতান
পথিক নেমেছে, আমাজন অভিযান!
রাশি রাশি চিরতরুণ, চোখ বুঝে যায়
আগুন লেগেছে, হেলিকপ্টার পাঁক খায়;
ঝলসানো মাংসের একচিলতে আদিমতা
ছবির পোড়া গন্ধে নেই সাংবাদিক-কৃপণতা!
এভাবেই শিশু শেখে, সহজপাঠে জটিল
তিন শালিকের মন কত কত কুটিল!
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem