ছলনা করে
ওকে
ডেকে নিয়ে গেলো তারা।
তারপর...
বিঁড়িতে তিনটে টান দিয়ে
শূন্যে,
কিছুটা ধোঁয়া ফুঁকে
ঝুলিয়ে দিলো ওকে
গলায় দড়ি বেঁধে।
শূন্যে ঝুলতে থাকা দেহটা
বাঁচতে চেয়ে
কাকে যেন আঁকড়ে ধরতে চাইলো।
কাউকে যেন কিছু বলতে চাইলো।
চাইলো,
কিন্তু পারলো না।
ততক্ষণে ওর দেহের মধ্যে থাকা
বায়বীয় জীবনটা
কোথাও যেন উধাও হয়ে গেলো।
নীল নিথর দেহটার দিকে চেয়ে
খুশিতে
এবার সিগারেট ধরালো ওরা।
নিঃশব্দে স্লোগান দিলো-
সততা পার্টি জিন্দাবাদ! উন্নয়ন পার্টি জিন্দাবাদ!
ঘুমের মধ্যে ওর বৌটা
হটাৎই চীৎকার করে উঠলো-
সিঁদুর!
আমার সিঁথির সিঁদুর কোথায়?
স্বপ্নের মধ্যে
ওর নাবালক বালকটা চীৎকার করে উঠলো-
বাবা! বাবা.......
উৎসব উৎসব উৎসব!
এসো গো এসো।
কে কোথায় আছো এসো।
টাটকা লাশ নিয়ে
আজ একটু
রাজনীতির চড়ুইভাতি করি।
সুন্দরী সাংবাদিকের আহ্লাদ-
আহাঃ কি মুখরোচক সংবাদ!
জনগণের উল্লাস
বেশ করেছে, শালার ব্যাটাকে ঝুলিয়ে দিয়েছে!
হারামি শালা কেবল উন্নয়ন মাড়াচ্ছে!
সুভাষ বসু
কাঁদছেন আপনি?
বিবেকানন্দ
অবসাদগ্রস্ত আপনি?
আপনারা পাক্কা মাওবাদী
বা ষড়যন্ত্রকারী;
নইলে,
এই ছোট্ট ঘটনা নিয়ে
আপনাদের এতো নাকী কান্না কেন?
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem