মুষ্টিবদ্ধ হাতে একরাশ প্রেম।
তবুও ক্ষয়িষ্ণু চটিতে আঁকা
অনিদ্রা। ভবঘুরে জীবন। উৎসুক হৃদয়ের
ঘন কালো দীর্ঘশ্বাস।
তোমরা কেউ কি
ছোট্ট একটুকরো পাত্র দেখেছো?
দেখতে পেলে জানিও
হাত উপুর করে ঢেলে দেবো সমস্ত প্রেম।
আর সঙ্গে
স্পন্দিত হৃদয়ের সঞ্চিত নির্যাস।
ভিনদেশের এক এলোকেশী
আজও বলেছে আমায়
"ভাবতে একটু সময় দাও আমায়"।
মনে হলো সে বলতে চেয়েছে
"মাপতে একটু সময় দাও আমায়"।
ইচ্ছে হয়েছিলো বলি-
ওহে এলোকেশী
মাপো। উলঙ্গ হয়ে দাঁড়ালাম তোমার সামনে
আমাকে উল্টে পাল্টে
যতখুশি মাপো।
কাউকে আঘাত করতে পারি না
সজ্ঞানে তো নয়ই।
তাই বললাম-
ভাবো। সময় নিয়ে ভাবো।
পৃথিবীর আরেক প্রান্তের
আরেক কাজলনয়না
তেষট্টি সপ্তাহ পরে লিখেছে আমায়
"ভালো আছো?
বড্ড মিস করি তোমায়।"
উত্তর করি নি।
কাঁচা বয়সের পুরুষ বলে কি
একটু অভিমান থাকতে নেই?
তবে কি জানো?
বুকের ভেতরটা বড় চিনচিন করে
কাউকে আঘাত করতে
বড় কষ্ট হয় আমার।
তাই লিখবো না লিখবো না ভেবেও,
শেষে লিখে দিলাম-
আছি। বেশি আছি।
তুমি?
তোমার চোখের ব্যথা সেরেছে?
দাঁড়াও।
একটু জিরিয়ে নিই আমি।
আহাঃ তোমাদেরকে
খামোকাই মিথ্যে বলছি আমি।
আসলে বলতে চেয়েছি
চোখের জলটা একটু
মুছে নিই আমি।
হায় ঈশ্বর। যৌবনের কাঁচা চুল
শ্বেতপদ্মের উপবন হতে চললো;
অথচ স্বপ্নে দেখা কোন নারী
তার তীক্ষ্ণ নখে
এমন আঁচড় কাটলো না
বুকে থেকে যাতে
ফিনকি দিয়ে রক্ত ঝরে।
ও হ্যাঁ
কি যেন বলছিলাম তোমাদের?
মুষ্টিবদ্ধ হাতে একরাশ প্রেম।
তবুও ক্ষয়িষ্ণু চটিতে আঁকা
অনিদ্রা। ভবঘুরে জীবন। উৎসুক হৃদয়ের
ঘন কালো দীর্ঘশ্বাস।
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem