হতাশার মধ্যে হাসি ভরে
তাকে করছো স্বপ্ন।
স্বপ্নের মধ্যে নীল নিতম্বে নৃত্য করে
তাকে করছো উন্মুক্ত নীলাকাশ।
কে তুমি? কোথায় নিবাস তোমার?
কিছুই তো বললে না।
জ্যোৎস্নালোকিত রাত্রির মতো
নিঃশব্দে হেসে গেলে তুমি।
পূর্ণিমা তিথির চন্দ্রমার মতো
নীরবে দেখে গেলে তুমি।
কেন গো?
দেখার তো কিছুই ছিলো না।
রুক্ষ সাহারার দাবদাহ বুকে
একটু মরুদ্যান সাজার
আজন্ম চেষ্টা করছি আমি।
অমাবস্যার ঘন অন্ধকার বুকে
একটু জোনাকি সাজার
আমৃত্যু বাসনা আমার।
কিছুই নেই।
অন্যকে দেওয়ার মতো
আমার আর কিছুই নেই।
তুমি ঊনিশ। আমি চল্লিশ।
তুমি ঊষা লগ্নের আলো
আমি ক্ষয়িষ্ণু গোধূলি।
তুমি সদ্য বিকশিত এক উদ্যান
আমি ক্ষয়িষ্ণু এক রাজপথ।
এতো দেখো কেন হে সদ্য বৃষ্টিস্নাত গোলাপ
এতো দেখো কেন?
জানো না, বৃষ্টিস্নাত পুষ্প সৌন্দর্য্যে
বড় নেশা আমার?
জানো না, সৌন্দর্য্য পূজারী আমি
সুন্দরের স্বপ্নে সদা বিভোর থাকি?
ওহে ঊষালগ্নের হাসি
এই ক্ষয়িষ্ণু বেলায়
বুকে পাপ জাগাও কেন?
জানো না, মানব হৃদয়
লোভী কামুক চির ভঙ্গুর?
তোমাকে হটাৎ ছুঁয়ে ফেলি যদি
পারবে?
পারবে আমাকে ক্ষমা করতে?
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem