দৈনন্দিন জীবনের সুখ বা মহত্বের আকাশে উত্তরণ- এসব কিছুর পথে মূল বাধা কি জানো?
অন্যের কাছে গ্রহণযোগ্য বা সন্মানীয় হওয়ার চেষ্টা। যেই মুহূর্তে তুমি অন্যের কাছে গ্রহণযোগ্য বা সন্মানীয় হতে চাইলে, ঠিক সেই মুহূর্তেই তুমি তোমার পথের শেষ সীমানা এঁকে দিলে। সেই সীমানার বাইরে যে অসীম মহাবিশ্ব আর অনন্ত নীলাকাশ আছে, তা তুমি আর কখনো দেখতে চাইবে না। অসীম সুন্দর পৃথিবী তখন-তোমার কাছে ছোট্ট এক খাঁচা হয়ে গেলো।
খাঁচা রূপ "অন্যের সমালোচনা বা প্রশংসা" তখন, তোমার জীবন স্বপ্ন কল্পনা- সবকিছু নিয়ন্ত্রন করবে। আজীবন আলোহীন গন্ধহীন এই খাঁচায় আবদ্ধ হয়ে রগড়ে রগড়ে মরবে তুমি। তুমি বিন্দী বুড়ী অরুণ মাজী- সবাই আমরা অমৃতের সন্তান। খাঁচা কি আমাদের আশ্রয় হতে পারে? আমাদের আশ্রয় মহাবিশ্ব ব্যাপী। আমাদের উড়ার স্থান অনন্ত নীলাকাশ। তবে খাঁচার যন্ত্রণা বুকে নিয়ে মরবো কেন আমরা?
তোমার উৎস অনন্ত আকাশ। তোমার গন্তব্য অনন্ত আকাশ। তোমার যাত্রা পথ ও অনন্ত আকাশ। ওহে আমার প্রিয় মানুষ, তোমরা অসীম ক্ষমতার অধিকারী। পেন্তীর মায়ের মুখপোড়া গালি শুনার ভয়ে, তোমরা নিজেদেরকে খাঁচায় আবদ্ধ করবে কেন? তোমরা অরুণ মাজীর মতো অকুতোভয় উলঙ্গ হও।
তোমরা আমাকে রাগিয়ে কাঁদিয়ে দিচ্ছো। কবিতা প্রবন্ধ প্রায় প্রতিদিনই এক বা একাধিক পোস্ট করা হচ্ছে। তোমরাই আমার পেজটা ঘুড়ে দেখছো না, অথচ অভিযোগ করছো- আমি নাকি আজকাল লিখি না। রেগে কামড়ে দেবো আমি।
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem