এতো মেঘ আকাশে
তবুও
বৃষ্টি বুকে ঝরে নি।
অথচ তৃষ্ণায় ছেয়ে আছে মন
কত শত
গ্রীষ্ম বসন্ত জুড়ে।
কে হবে বৃষ্টি? কে?
কোথায় পাবো তাকে?
মৃন্ময়ী মৃত্তিকার মৃন্ময় সন্তান আমি।
স্বর্গের রম্ভা ঊর্বশী মেনকা তিলোত্তমা
তারা আমার অভিলাষ নয়।
কে হবে বৃষ্টি?
কে তুমি মৃন্ময়ী মৃত্তিকার মৃন্ময়ী নারী?
নাকে নাক ছবি
কানে ধুতরা ফুল
খোঁপাতে বেলফুলের মালা
নাভিতে লতার কোমরবন্ধ
গর্বোদ্ধত বুকে
সোঁদা মাটির সুগন্ধযুক্ত
কে তুমি নারী?
নারী বুক আমার ভীষণ প্রিয়।
ভীষণ।
আর তা যদি মৃন্ময়ী মৃত্তিকার সোঁদামাটি গন্ধযুক্ত হয়
তো আজন্ম দাসত্ব করতে পারি
সেই শ্যামল সবুজ নারীর।
কে আছো সোঁদামাটির গন্ধযুক্ত
সেই নারী?
জানো, নাভিতে তোমার
মহাবিশ্বের রহস্য আঁকবো আমি।
নিতম্বে, উন্মত্ত এক জলপ্রপাত
বুকের পাহাড়ে ঢলে পড়া সূর্য
ঊরুর সন্ধিদেশে উদ্দাম অদৃশ্য কিছু স্বপ্ন।
একবার দুবার নয়।
প্রতিদিন। প্রতিরাত।
প্রতিমুহূর্তে।
ক্লান্ত তুমি হবে না তো?
সবুজ গাঁয়ের
সোঁদামাটির গন্ধযুক্ত নারী তুমি।
তোমার কিসের ক্লান্তি?
আমিও সেদিনকার
ঘোষ পুকুরে ডুবে গিয়ে
মরতে মরতে বেঁচে উঠা
ডানপিটে সেই বালক।
মৃত্যুঞ্জয়ী আমি
তো নারীর ক্লান্তি জয় করতে পারবো না?
কে আছো?
কে সেই বৃষ্টি
যার জন্য ছেয়ে আছে তৃষ্ণা
আজন্ম
অমল বোসের বুকে?
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem