চোখ মেললেই দেখি
জগতে কেবল দুঃখ খেলা করে।
বুকে হাত রাখলেই দেখি
নীল নীল স্বপ্ন আর্তনাদ করে।
অথচ তোমার দুই পাহাড়ের মাঝে
কেবল অনাবিল আনন্দ-
কোন দুঃখ হাহাকার নেই সেখানে।
ছুঁয়ে দিলে মনে হয়-
ফিরে পেয়েছি ষোড়শ বয়সের স্বপ্ন
আঠারো বয়সের উন্মাদনা
ঊনিশ বয়সের নিষিদ্ধ ইচ্ছে।
নারীবক্ষ কেবল একতাল মাংস হলে
সেখানে
পুরুষের সঞ্জীবনী মন্ত্র থাকার কথা নয়।
অথচ নারী বক্ষ স্পর্শে-
অশীতিপর বৃদ্ধ জেগে উঠে
জ্যোৎস্নালোকিত পূর্ণিমা রাতে।
মাদকাসক্ত লম্পট জেগে উঠে
দেবালয়ে আরতি প্রদীপ হাতে।
দুঃখ! পৃথিবীতে কেবল দুঃখ!
অথচ তোমার সবুজ উপত্যকায়
কেবল স্বপ্নের হাতছানি-
কোন অবসাদ নৈরাশ্য নেই সেখানে।
ছুঁয়ে দিলে মনে হয়
স্বর্গ আকাশে নেই। অমৃত দেবালয়ে নেই।
স্বর্গ অমৃত
সবই কেবল আমার হাতের তালুতে।
ইচ্ছে হয় মুঠো ভরে নিয়ে নিই
জীবনের অনন্ত সুখ।
ঠোঁট ভরে শুষে নিই
অমৃতের সুমধুর আস্বাদন।
ইচ্ছে হয়-
হাতের তালু ভরে ঘুম থেকে উঠি।
অফিসে যাই। নিদ্রার বুকে ঢলে পড়ি।
ইচ্ছে হয়। অনেক অনেক ইচ্ছে হয়।
পারি কি? তবুও পারি কি?
তোমার নন্দন কাননে যদি
আমার অনন্ত সুখ হে মালবিকা
তবে তার প্রবেশ দ্বারে
এতো তালাচাবি কেন?
© অরুণ মাজী
Painting: John William Godward
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem