দিনদুপুর ধর্ম শাস্ত্র পড়ে,
আর অদৃষ্টের কণ্ঠে জবার মালা চড়িয়ে
পাছা উল্টে শুয়ে আছে মানুষ।
অন্তরে দৃঢ় প্রত্যয় তার-
ন্যায় সাম্য আর সৌভাগ্য
আকাশ থেকে খসে পড়বেই।
বিবর্তনের কলকাঠিতে
মানুষ যাকে পরাস্ত করে আজকের মানুষ হয়েছে;
সেই বাঁদর বাচ্চাগুলোও
তাদের গোপন অঙ্গ দেখিয়ে দেখিয়ে
মানুষকে ভেংচি কাটে।
উকুন এঁটুলি ছাড়পোকাও
মানুষের গোপন অঙ্গে
বলে বলে দংশন করে।
অথচ মানুষ?
নিরুপায়। ভীষণই নিরুপায়।
তার চৌদ্দ পুরুষের ব্যামো
আজও মানুষকে পরিত্যাগ করে নি।
আজও মানুষ
ধর্মের দোহাই দিয়ে আত্মঘাতী বোমা সাজে;
অথবা মোক্ষলাভ হেতু
মূত্রসহ বিষ্ঠা ভক্ষণ করে।
সামান্য দেওয়ালের টিকটিকি
মানুষকে তাচ্ছিল্য ভরে উপহাস করে!
অথচ মানুষ?
টিকটিকির পশ্চাৎদেশ থেকে
নির্গত বায়ুর প্রবাহকে
মানুষ সত্যের দুন্দুভি বলে
আজও পূজা করে।
ছারপোকা অথবা মানুষ- কে শ্রেষ্ঠ?
ফোর টোয়েন্টি নেতাদের মতো,
মানুষ- আপনার ঢাক আপনি পেটালেও
আমার বড় সন্দেহ হয়।
কারন- তাদের নেতারা যতটা বিশ্বাসযোগ্য
মানুষও ঠিক ততটাই বিশ্বাসযোগ্য।
বরফের সমাধিতে সমাধিস্থ আদিম মানুষ
মাঝে মাঝে গাঁজা টেনে
আপন ক্রোধ প্রশমিত করে।
জীবাশ্মের কবর খুঁড়ে জেগে উঠে
মানুষের গালে
ঠাস করে এক থাপ্পড় কষিয়ে সে বলতে চায়
"একেই কি তোদের
বিবর্তন বলে রে হারামজাদা? "
মানুষের চামড়া পরিধানকে
যারা মনুষত্বের পরিচয় ধার্য্য করে;
বা অন্ডকোষের উপস্থিতিকে যারা
পৌরুষত্বের প্রতীক বলে ব্যাখ্যা করে;
অরুণ মাজী নামের অশ্লীল উন্মাদ
কখনোই তা বিশ্বাস করে না।
অথচ মানুষের ভ্রূক্ষেপ নেই।
হিংসা বিদ্বেষ কুসংস্কারের গাঁজাতে আচ্ছন্ন হয়ে
আজও
পাছা উল্টে শুয়ে আছে মানুষ।
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem