বিধবার একাদশীর সাথে কি নোবেল প্রাইজের সম্পর্ক আছে?
আছে। আলবৎ আছে। হাজারবার আছে।
২০১৬ সালে, মেডিসিনে, নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন জাপানী বিজ্ঞানী ইয়োশিনোরি ওসুমি (YOSHINORI OHSUMI) । দেহের মধ্যে পুরানো কোষগুলো কিভাবে ধ্বংস হয়, আর নতুন কোষ কিভাবে তৈরী হয় (AUTOPHAGY PROCESS) , সেই বিষয়ে গবেষণা করে ইনি জীবন কাটিয়েছেন। AUTOPHAGY PROCESS- এর জ্ঞানের উপর ভর করে, বিজ্ঞানীদের ধারণা এই যে-
কেউ যদি দিনের মধ্যে, ১২-১৬ ঘন্টা উপবাস করে, তাহলে দেহের মধ্যে গজিয়ে উঠা "ক্যান্সার কোষকে" মেরে ফেলা সম্ভব।বছরে প্রায় ২০ দিনের মতো এই উপবাস করা চলে। উপবাস মানে এই নয় যে তুমি জল খাবে না। জল তোমাকে খেতেই হবে। উপবাস-কালীন জল খাওয়া ভীষণই অপরিহার্য্য। যারা গরমের দিনে মাঠে কাজ করে, তাদেরকে দিনে তিন থেকে চার লিটার জল খেতে হবে। যারা কোন কায়িক পরিশ্রম করে না, কেবল ঠান্ডা ঘরে বসে অরুণ মাজীকে খিস্তি করে, তাদেরকে দিনে প্রায় আড়াই লিটার জল খেতে হৰে।
এবার আসি বিধবার একাদশীর কথা। একাদশীতে আমার ঠাম্মা কিন্তু ১২-১৬ ঘন্টা উপবাস করতো। মাসে প্রায় দুটো একাদশী। বছরে তাহলে প্রায় ২৪ টা একাদশী। আজকের দিনের বিজ্ঞানীরা বলছে, ক্যান্সার প্রতিহত করতে হলে, তোমাকে বছরে প্রায় কুড়িটা উপবাস করতে হবে।
এখন প্রশ্ন হলো- ইয়োশিনোরি ওসুমি যদি নোবেল প্রাইজ পায়, তো আমার ঠাম্মা পাবে না কেন? শোনো, আমার ঠাম্মাকে তোমরা "নোবেল বিজয়ী সুখদা মাজী" ডাকবে।
আমি এই বিষয়ে আরও একটু বেশি পড়াশুনা করবো। তখন তোমাদেরকে আবার জানাবো। ফেসবুকে আমার AUTHOR পেজে আপডেট দেবো।
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem