সবাই হয়তো গলায় দড়ি দিই না
কিন্তু আমরা সবাই-ই আত্মহত্যা করি।
আমরা একটু একটু করে
নিজেকে রগড়ে রগড়ে মারি।
ছোট্ট যে শিশুটি
অন্তহীন আকাশের সৌন্দর্য্য
তন্ময় হয়ে ফ্যালফ্যাল করে দেখতো;
কোকিলের কুহুকুহু রব যার মধ্যে
আনন্দের অদ্ভুত এক শিহরণ জাগাতো;
গর্ভবতী নদীর উচ্ছ্বল উন্মত্ত নৃত্য
যার মধ্যে গভীর এক বিস্ময় জাগাতো;
তোমার মধ্যেকার
সদাহাস্য সেই শিশু আজ কোথায়?
মৃত। সে আজ ভীষণই মৃত।
কে? কে সেই হত্যাকারী?
কেন? নিজের হত্যাকারীকে তুমি
আয়নায় দেখতে পাও না?
সুন্দর জীবনের খোঁজ করতে গিয়ে
জীবনটাই হারিয়ে ফেলেছো তুমি।
তাই না বন্ধু?
তোমার যে চোখ
সব কিছুর মধ্যে অনন্ত সৌন্দর্য্য দেখতো
তোমার সেই সুন্দর চোখ আজ কোথায়?
ফড়িঙের পিছনে ধাওয়া করে
তোমার যে হৃৎপিণ্ড
আনন্দে ধিন ধিন করে নাচতো
তোমার সেই হৃৎপিণ্ড আজ কোথায়?
তারা আজ মৃত। ভীষণই মৃত।
লোভ হিংসা বিদ্বেষের বিষে
তাদেরকে তুমি
নির্মম নৃশংস ভাবে হত্যা করেছো।
অক্লান্ত পরিশ্রম আর অঢেল টাকা খরচ করে
এক জীবন ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে
নরকের টিকিট কিনেছো তুমি।
অথচ আজ তুমি ঈশ্বরকে জিজ্ঞেস করেছো
আজ নরকে কেন তুমি?
© অরুণ মাজী
Painting: WAB
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem