"ভারত আবার জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে"।
আমার কাকা জ্যাঠা বাপ ঠাকুরদা এবং তাদের ঠাকুরদা ঠাম্মা- সবাই এই গান গেয়েছে। আমিও আজ সেই একই গান গাইছি। আমার নাতি পুতি তারাও সেই একই গান গাইবে।
কিন্তু ভারত কি জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন পেয়েছে? পাই নি। কখনো কি পাবে? নাহঃ কখনো পাবে না। তোমরা যারাবিশ্বাস করো- ভারত একদিন শ্রেষ্ঠ আসন পাবে; তাদেরকে বলি- চোখে কি তোমাদের ছানি পড়েছে? মস্তিস্ক কি তোমাদের গোবর দিয়ে তৈরী? সহস্র বছরের ইতিহাস কি তোমরা দেখেও দেখো না? গাঁজাতে কতটা বুঁদ হলে, যুগযুগ ধরে তোমরা দিবা স্বপ্ন দেখো?
অর্থিনীতিতে একটু এগোলেই কি শেষ্ঠ হওয়া যায়? আরবের মতো অনেক দেশ তো টাকার উপর শুয়ে, তারা কি শ্রেষ্ঠ হয়েছে? হয় নি। ভারত তো অর্থনীতিতে তিন নম্বর হতে চলেছে। তবুও দুদিন আগে, বৃদ্ধা নারীকে ডাইনী অপবাদে খুন করা হলো কেন? এখনো দেশে জাতপাতের রাজনীতি কেন? আমরা ভারতীয়রা যেমন অসভ্য বর্বর ছিলাম, আজও ঠিক তাই আছি। অদূর ভবিষ্যতেও আমরা ঠিক একইরকম অসভ্য বর্বর থাকবো। অপ্রিয় সত্য কথা শুনে, তোমাদের গা জ্বালা করলো। তাই না? করবেই তো। তোমরা হলে হারামজাদা অরুণ মাজীর ভাই। অরুণ মাজী যদিও মস্ত বড় এক চাঁড়াল, তবুও এই হারামজাদাকে চাঁড়াল বললে, বুকে তার ফোস্কা পড়ে।
কখনো জিজ্ঞেস করেছো- আমেরিকা- আমেরিকা কেন? ভারত- ভারত কেন? তোমার যদি বিশ্ব বন্দিত কোন গুণ থাকে, আমেরিকা তোমাকে প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশ খুঁড়ে, খুঁজে বের করবে। তারপর তোমাকে তাদের দেশের জন্য কাজে লাগাবে। সোজা পথে না হলে, FBI বা CIA দিয়ে তোমাকে কিডন্যাপ করে তাদের দেশে নিয়ে যাবে। তারপর তোমাকে দেশের জন্য উপযুক্ত এক কাজে লাগাবে। সুন্দর পিচাই, ইন্দিরা নুয়ি তাদের উদাহরণ।
আর ভারতে কি হয়? তোমার যদি প্রতিভা থাকে, তোমাকে দেশের নেতৃত্ব আগে দেশ থেকে তাড়াবে। লবি বাজি করে, জীবন তোমার এমন হারাম করবে, যাতে পরদিন তুমি গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করো। বছর খানেক আগে, প্রাক্তন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্ণর- রঘুরাম রাজনের অবস্থা তো তোমরা দেখলে? কেউ যদি ভাবে, উৰ্জিত প্যাটেল, রঘুরাম রাজনের চেয়ে বেশি যোগ্য; তাহলে জানতে হবে- পার্টির নেতাদের বিষ্ঠা ভক্ষণ করে, সেও বিষ্ঠাভোজী এক কৃমি হয়ে গেছে।
মমতা ব্যানার্জীর মন্ত্রীসভা দেখেছো? কারা মমতা ব্যানার্জীর কাছের লোক? যাদেরকে থাপ্পড় মারলে, মুখ থেকে রা পর্য্যন্ত বেরুবে না। সেইসব বিষ্ঠা আর মূত্র চাঁটা কৃমিগুলো মমতা ব্যানার্জীর কাছের লোক। যারা একটু ইংরেজী বলতে পারে বা লেখাপড়া জানে, মমতা ব্যানার্জী তাদেরকে কাছে কখনো টানে না। মমতা ব্যানার্জীর তাতে হীনমন্যতা বোধ হয়।
এই হলো ভারতের নেতাদের নেতৃত্ব ক্ষমতার নমুনা। মোদী মমতা নাড়ুগোপাল- সবাই এক রকম অকর্মণ্য। যত হলেও, এরা সকলেই তো চাকরবৃত্তির সংস্কৃতিতে বেড়ে উঠা মানুষ। তাই তুমি যোগ্য হলে, তোমার গর্দান আগে যাবে।
ভাবো- নাড়ুগোপাল ইতিহাস প্রসিদ্ধ জাতীয় কংগ্রেস দলের সভাপতি! যাকে থাপ্পড় মারলে, "দুয়ের ঘরের নামতা" পর্য্যন্ত বেরুবে না। দেশে কি যোগ্য লোকের অভাব? তবুও এই নাড়ুগোপাল- তার মায়ের কোলে শুয়ে, বোতলের নিপল চুষতে চুষতে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে।
আর তোমরা বলো কিনা- এই ভারতবর্ষ জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে? কইরে জগাই, গেলি কোথায় হারামজাদা? আমাকে এখন ট্রাকভর্তি গাঁজা দে। নইলে আমি হাসি থামাতে পারছি না।
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem