কবে ভালোবাসবে হে মালবিকা?
রক্ত মাংস আর নিষিদ্ধ ইচ্ছে দিয়ে গড়া
পেশীবহুল ক্ষুধার্ত শরীরটা আমার
দিন দিন অতীত হয়ে যাচ্ছে।
যৌবনে টলমল শরীরটা যদি ভালো না বাসলে
তবে কি প্রজ্বলিত শ্মশানে
আমার ছাই ভালোবাসবে?
যদি পারি এখনই পারি।
তোমার নিষিদ্ধ গোপন তৃষ্ণা মেটাতে
আমি এখনই পারি।
তোমার রাতের স্বপ্নে ফড়িং হয়ে
এখনই তোমায় পবিত্র স্বর্গ দিতে পারি।
ভালোবাসলে আজই বাসো। এখনই বাসো।
পূর্ণিমার অপেক্ষায় কেন তুমি?
ভালোবেসে দেখো। এখনই ভালোবেসে দেখো।
দেখবে কেমন আমি অমাবস্যা রাতেও
তোমার নিতম্ব ভাঁজে
পূর্ণিমার জ্যোৎস্না জ্বালতে পারি।
কেমন আমি হেমন্ত রাতেও
তোমার অতৃপ্ত তৃষ্ণার্ত কটিদেশে
কোকিলের কুহুকুহু রব জাগাতে পারি।
আর কবে ভালোবাসবে হে মালবিকা?
বাসবে বাসবে বলে সবই তো ঝরে যাচ্ছে।
কখনো নিজেকে দেখেছো কোনদিন?
দেখেছো
চোখের নীচে মৃত্যুর কোমল ছায়া?
চিবুকের নীচে হতাশার মেদ?
গোপন নদীতে তোমার অপুষ্টির আর্তনাদ?
বসন্তে যদি বসন্তের গান গাইলে না
তবে কি মৃত্যুর দিনে গাইবে?
যৌবন কালে যদি তৃষ্ণা তুমি মেটালে না
তবে কি মরণ চিতায় তুমি মেটাবে?
কতদিন আর
নিজে নিজেকে ঠকাবে?
কতদিন আর
প্রকৃতিকে উপেক্ষা করবে?
কতদিন আর
নিজে নিজেকে যন্ত্রণা দেবে?
ভালো যদি বাসো এখনই বাসো।
এখনই ঠোঁট রাখো ঠোঁটে, বুক রাখো বুকে
নিতম্ব রাখো আমার ঊরুর বাঁধনে।
দেখো, কেমন আমি
আমার ক্ষুধার্ত রোমশ বুকের আলিঙ্গনে
তোমার সর্ব্বাঙ্গ জুড়ে
পূর্ণিমার জ্যোৎস্না জ্বালতে পারি!
© অরুণ মাজী
Painting: Hemen Majumdar
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem
Mind blowing