গুজব এই যে, আমাদের কোন এক নেতা নাকি প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন।
গুজব-বাজদের প্রশ্ন- "বুড়ো বয়সে মিনসের কি ভীমরতি হয়েছে? "
বুড়োটা কে, তা আমি জানি না। জানার দরকারও নেই।
একজন ডাক্তার হিসেবে, আর মনস্তত্ব বা দর্শনের একনিষ্ঠ ভক্ত হিসেবে
অরুণ মাজী, তার পুরানো এক কবিতার কয়েক লাইন বলবে এখানে-
"প্রেমে কেউ পড়ে না সখী
প্রেম হয়ে যায়।
রাধার পিছল বুকে কানু
হড়কে হড়কে যায়।"
হড়কানো ব্যাপারটাতে তোমাদের আল্যার্জি থাকলেও, আমার কোন আল্যার্জি নেই।
মনস্তত্ব আর দর্শনকে গুলে খাওয়ার পর, অরুণ মাজীর বদ্ধমূল ধারণা এই যে-
হড়কাতে সকলেই চায়। কিন্তু হড়কানোর উপযুক্ত, "হড়হড়ে মাটি" সকলের ভাগ্যে জুটে না।
যাদের জুটে তারা হড়কে যায়। আর যাদের জুটে না, তারা বলে- হড়কানো "নরক-পাপ"।
পরস্ত্রী শ্রমতী রাধাকে দেখে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ হড়কে যায়।
মহর্ষি গৌতম পত্নী অহল্যাকে দেখে, দেবরাজ ইন্দ্র হড়কে যায়।
অপ্সরা মেনকাকে দেখে মহর্ষি বিশ্বামিত্র হড়কে যায়।
ঈশ্বর আর দেবতাও, হড়হড়ে মাটিতে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে না,
তাহলে রক্ত মাংসের মরণশীল মানুষ তা পারবে কেন?
তাই বলে ভেবো না,
উন্মাদ অরুণ মাজী, হড়কে যাওয়ার জন্য সর্ষের তেল মেখে তৈরী।
নারীর হড়হড়ে বুক ছাড়াও, আরও বেশি হড়হড়ে জায়গা
অরুণ মাজীর মতো উন্মাদদের আছে। তা হলো "PHILOSOPHY"।
অরুণ মাজী সেখানে প্রতি মুহূর্তেই হড়কে যায়।
© অরুণ মাজী
Painting: Amit Bhar
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem
Ki golpotai na sonalen.Thanks dear sweet Dada.Good night.