কবে ভালোবাসবে মালবিকা
আর কবে ভালোবাসবে?
তেত্রিশটা বসন্ত
তিপান্নবার- দাঁত কেলিয়ে
ফিকফিক করে হেসে উপহাস করে চলে গেলো।
অথচ আমি?
কতদিন আর
স্বপ্নের জানালায় উঁকি মেরে
তোমাকে শাড়ি বদলাতে দেখবো?
লজ্জা কি হয় না আমার?
পৌরুষত্ব কি বিদ্রোহ করে না আমার?
সম্ভ্রম কি আত্মহত্যা করতে চায় না আমার?
রাতে সোনালী স্বপ্নের জ্যোৎস্না ফুটলে
কতদিন আর গলা কাটা ছাগলের মতো
দিনরাত আর্তনাদ করবো?
কতদিন আর চুরি করে
তোমার বাড়ির বারান্দায় রাতদিন উঁকি মারবো?
ধিক জীবন। ধিক যৌবন।
ধিক দ্বিধাগ্রস্ত এই পৌরুষত্ব।
বুকে আমার একগুচ্ছ রোম
আর বাহুতে একগুচ্ছ পেশী।
অথচ স্বপ্নের নারীকে আমি
এখনো ছিনিয়ে নিতে পারি নি।
লজ্জায় আত্মহত্যা করি
তাই কি তুমি চাও হে নারী?
তাই কি তুমি চাও?
আমিও নগেন মাস্টারের বাগানের
কাঁঠাল চুরি করে খাওয়া এক ছেলে।
মা কালীর নামে দিব্যি দিয়ে বলছি-
ভালো যদি তুমি নাও বাসো,
তোমার ঠাকুরদাকে ভেংচি কেটে
তোমাকে উঠিয়ে নিয়ে আসবো।
তোমার গুষ্ঠিশুদ্ধ পূর্ব পুরুষকে
লবডঙ্কা দেখিয়ে
তোমাকে ড্যাং ড্যাং করে উঠিয়ে নিয়ে আসবো।
লুকিয়ে লুকিয়ে নয়
তোমার উন্নাসিক মায়ের নাকের ডগা দিয়ে।
কি ভেবেছো?
বেঁটে বলে কি আমি খাটো নাকি?
ময়লা বলে কি আমি ফ্যালনা নাকি?
আমিও অমল বোস।
আমি নগেন মাস্টারের বাগানের
কাঁঠাল চুরি করে খাওয়া ছেলে- অমল বোস।
তোমাকে উঠাতে পারবো না?
কবে ভালোবাসবে মালবিকা
আর কবে ভালোবাসবে?
কতদিন আর
প্রেমহীন বুকের বেদনায় জ্বলতে থাকা
এই যৌবন উন্মত্ত যুবকের
জঘন্য প্রলাপ তুমি শুনবে?
© অরুণ মাজী
Painting: Eugene De Blaas
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem