স্মৃতির ভাঁজে আঁকা-
প্রস্ফুটিত স্বপ্ন, নারী মুখের গোধূলি বর্ণ হাসি
আর বড় একটা গোলাপের তোড়া।
একদিন কার হাসিকে দেখে
মরমর স্বপ্ন
এক লাফে উন্মত্ত এক যুবক হয়েছিলো?
সেদিন স্বপ্নের রঙিন তুলি দিয়ে
গোলাপ তোড়াতে
কার নাম কে লিখেছিলো?
গোপন কথা বরং
গোপনই থাক।
সব কথাই কি তোমাকে জানতে হবে?
বাতাসে ধোঁয়ার কুন্ডলী ছড়িয়ে
আঙুলে পুড়ছে
নারী অবহেলিত পরিত্যক্ত একাকী যৌবন।
স্মৃতির খাঁজে কাঁদছে
স্নেহ ভালোবাসা আশ্রয়হীন
ছোট্ট ছোট্ট অনাথ সব স্বপ্ন।
কে যেন তাদেরকে
ছুঁয়ে একটু আদর করবে বলেছিলো?
দুঃখের কথা বরং
দুঃখ হয়েই থাক।
সব দুঃখকেই কি মরতে হবে?
আকাশে উড়ছে অভিমান
ভালোবাসার বাতাসে ভর করে।
কোকিল কণ্ঠে বাজছে নিঃসঙ্গ বসন্ত
নৈঃশব্দের সশব্দ সুরে।
কে যেন এ হৃদয়কে
তার হৃদয়ে একটু স্থান দেবে বলেছিলো?
কিছু অভিমান বরং
অভিমান হয়েই থাক।
সব অভিমানকেই কি আদর পেতে হবে?
স্বপ্নের আঁচলে মুড়ির কৌটো
আর কল্পনার জমিতে কাঁচা লঙ্কা কাঁচা পেয়াঁজ।
এতো অপুষ্টিতেও
আজও, কেন বেঁচে হৃদয়?
কার জন্য? কিসের জন্য?
হৃদয়কে যে বেঁচে থাকতে হবে
এমন দিব্যি
কেউ কি তাকে দিয়েছে?
গোপন কথা বরং
গোপনই থাক।
সব কথাই কি তোমাকে জানতে হবে?
© অরুণ মাজী
Painting: Xie Chuyu
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem