এক পৃথিবী মানুষের
স্বপ্ন দুয়ারের চাবি আঁচলে বেঁধে ঘুড়ছো
অথচ তোমাকে ডাকাত কেউ বলে না।
ডাকাত বলা তো দূরের কথা
তোমাকে চোরও কেউ বলে না।
অথচ এক পৃথিবী যুবকের হৃদয়ের রক্ত
তোমার দুই পাহাড়ের খাঁজে
জমিয়ে রেখেছো তুমি।
এতো তৃষ্ণা কেন হে নারী
এতো তৃষ্ণা কেন তোমার?
এতো তৃষিত যদি তুমি
নাও না এ বুকের রক্ত শুষে।
ভঙ্গুর বুক তো সঁপেই রেখেছি তোমাকে।
এতো কুন্ঠা কেন হে নারী
এতো কুন্ঠা কেন?
এক মহাশ্মশান চিতাগ্নি হয়ে
জ্বলতে পারো জ্বাজল্যমান এই বুকে
অথচ একবিন্দু
পূতঃসলিলা গঙ্গা হতে পারো না।
এক মহাকাশ দুঃখ হয়ে
উঁকি মারতে পারো অভিশপ্ত এ হৃদয়ে
অথচ এক বিন্দু নিরাময় হতে পারো না।
কেন হে নারী কেন?
এতোই কি অস্পৃশ্য অপাঙতেয় আমি?
আড়চোখে তাকিয়ে
কখনো একটু হেসে দিতে পারো না?
আঁচলটা উড়িয়ে
অব্যক্ত কিছু স্বপ্ন ব্যক্ত করতে পারো না?
নিতম্বের আলোড়নে
মুহূর্তের একটু শান্তি হতে পারো না?
সোনালী নাভির উপত্যকায়
কখনো একটু আমন্ত্রণ আঁকতে পারো না?
কতদিন আর
ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে চেয়ে দেখবো?
কতদিন আর ফক্কর যৌবনের
নির্মম টিটকিরি শুনবো?
কতদিন আর উন্মত্ত হৃদয়কে
মিথ্যে স্বপ্নের লজেঞ্চুস দিয়ে
ভুলিয়ে ভালিয়ে রাখবো?
তোমার আগুন বুকে ঝাঁপ দিয়ে
মরতে যে চায়
তাকে একটু মরতে দিতে পারো না?
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem
Very nice kabita