মনে হয়
আদি অনন্তকাল
আলিঙ্গনে আবিষ্ট রাখি তোমায়।
তোমার ওষ্ঠে ওষ্ঠ রেখে
ভেংচি কাটি
এই প্রবাহমান সময়
আর আগামী অবশ্যম্ভাবী মৃত্যুকে।
পরক্ষণে
চোখ বুজে যখন
অনুভব করি
তোমার ওষ্ঠের সুমিষ্ট কোমলতা,
কি যেন কি এক
স্পর্শ করে আমায়।
ভীষণই উষ্ণ
ভীষণই জীবন্ত
ভীষণই বাঙ্ময়
সে আমার নাম ধরে ডাকে।
তুমি তো জানো
কত ধৈর্যহীন আমি!
পড়ি মরি করে ছুটে দেখি-
তোমার সুবিশাল দুটো পাহাড়-
তারা সীমাহীন!
লোভনীয়!
আমন্ত্রণ তাদের চোখে!
আবেগের বিস্ফোরণে
খেই হারিয়ে ফেলি আমি।
বুঝতে পারি না
কোথায় তাদের শুরু
কোথায় তাদের শেষ।
গভীর উত্তেজনার বশে
কখনো আমি চড়ি
কখনো হামাগুড়ি দিই
কখনো উদোম উলঙ্গ হয়ে
দাপাদাপি করি।
দেখো, সেই মধ্যরাত থেকে
তোমার পর্বত শৃঙ্গে আমি।
এখন ভোর হয়ে সকাল।
অথচ এখনো কত কিছু বাকি।
এত সৌন্দর্য দেখার মতো!
এত মাধুর্য স্বাদ নেওয়ার মতো!
অথচ....
ওহে মালবিকা
আদি অনন্তকাল ধরে
তোমার গোপন সম্পদ অন্বেষণে আমি।
অথচ শেষ আর হয় না।
কেবল এক রহস্য
আমায় নিয়ে যায়
অন্য আর এক কুহেলিকাময় রহস্যের দেশে।
তুমি জানো না
তোমার গোপন সম্পদ
কত অনাদি। অনন্ত। অগম্য।
যেন তুমিই
এই অধরা অগম্য ব্রহ্মাণ্ড।
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem