সামনে তুমি দাঁড়ালেই
তোমার ভিতর অন্ধকার একটা কূপ দেখতে পাই।
মরবো জেনেও আমি এক পা এক পা করে
কেবলই সেদিকে এগিয়ে যাই।
অথচ
মৃত্যু আমার পছন্দের কেউ নয়
মৃত্যুকে আমি সর্ব্বান্তঃকরণে ঘৃণা করি।
এ মহাবিশ্বের গ্রহ নক্ষত্র পৃথিবী
ফুল নদী আকাশ আমি সবই ভালোবাসি।
তবু তোমাকে দেখলেই
মৃত্যুর স্পৃহা ক্ষণে ক্ষণে মাথা চাড়া দেয়।
কোথা থেকে আত্মাহুতির নেশা
বুকের মধ্যে দাউ দাউ আগুন জ্বালায়।
ভাবো তো
আমার আত্মহুতি, সেও আমার হাতে নয়।
তোমার কালোচোখের
কুহেলিকার আড়ালে লুক্কায়িত সে।
তোমার আড়চোখের
মরণবাণে সদা তন্দ্রাচ্ছন্ন সে।
গালে টোল ফেলে খিল খিল করে তুমি হাসলেই
আমার মৃত্যু জেগে উঠে।
বলে উঠে-
মরণের সময় হয়েছে অমল
এখনই মৃত্যুর বুকে ঝাঁপ দাও।
হয়তো জিজ্ঞেস করবে তুমি
কেমন করে এখনো বেঁচে আছি আমি?
এ কত নম্বর জন্ম আমার
কেমন করে তুমি জানবে হে নারী?
বিনিদ্র রাতে তোমার পাপড়ি ছোঁয়ার লালসায়
কতবার ঘৃণ্য পশুবৃত্তি করি
তা কেমন করে জানবে হে নারী?
© অরুণ মাজী
Painting: Hamish Blakely
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem