তোমার ঘর, হীরে জহরত মণি মাণিক্যে পূর্ণ। কিন্তু ঘরে তোমার কোন প্রদীপ নেই। ঘর তাই অন্ধকার। ঘরে তোমার আলোই যদি নেই, তো হীরে জহরত মণি মাণিক্য থেকে লাভ কি তোমার?
তোমার ডিগ্রী আছে, অর্থ আছে, বড় চাকরী আছে, গাড়ি আছে, বাড়ি আছে, সুন্দরী ডপকা একটাবৌ-ও আছে। কিন্তু তোমার নিজস্ব চেতনার আলো নেই। তাতে ফল কি? আঁধার। সবই আঁধার।
যারা পন্ডিত, তাদের চোখে "লোভ আর স্বার্থের ছানি"। যারা মূর্খ, তাদের চোখে "অশিক্ষার ছানি"। দু জনের মধ্যে কোন তফাৎ আছে কি? দুজনেই তো সমান অন্ধ। আমার গাঁয়ের মুখ্যু নারী পেন্তীর মা, আর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য্য তড়িৎ তলাপাত্র- এদের মধ্যে কোন তফাৎ আছে কি? পেন্তীর মা দারিদ্র্য আর অশিক্ষার জন্য অন্যের পা চাঁটতে বাধ্য হয়। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য্য স্বার্থ আর লোভের জন্য, স্ব-ইচ্ছায় অন্যের পা চাঁটে। দুজনের জীবনই তো কুকুর সদৃশ। তফাৎটা তাহলে কোথায়?
পাপকে তুমি পাপ বলতে পারো না, কারন- মাসি তোমার রেগে গেলে, পাকা কাঁঠাল দেবে না। মাসি তাই পাপ করলেও তুমি অন্ধ থাকো। হত্যাকে তুমি হত্যা বলতে পারো না। কারন- পিসি তোমাকে, পুকুরের গলদা চিংড়ি খাওয়ায়। পিসি তাই হত্যা করলেও তুমি টুঁ শব্দ করো না।
কেউ সিংহের মতো বাঁচে। কেউ ফেতি কুত্তার মতো বাঁচে। অরুণ মাজীর মতো চরিত্রহীন লোকেরা, মূত্র বিষ্ঠা চেঁটে চেঁটে ফেতি কুত্তার মতো বাঁচে। সুভাষ বসু, বিদ্যাসাগরের মতো লোকেরা বুক চাপড়ে সিংহের মতো বাঁচে।
আমার ছাগল আমি যেভাবে খুশি খাবো। তোমার ছাগল তুমি যে ভাবে খুশি খাবে। কেউ যদি ফেতি কুত্তার মতো বাঁচতে চায়, তাতে কারও আপত্তি আছে কি? নাহঃ নেই। একদম নেই।
আমার জীবন- আমি চরিত্রহীনতার আগুনে পুড়াবো, কি চৌর্যবৃত্তির কবরে পুঁতবো, সে নিতান্তই আমার পছন্দের ব্যাপার। মানুষ হয়ে ফেতি কুত্তা সাজতে আমার কোন লজ্জা নেই। আমি তাই গলায় পরাধীনতার দড়ি পড়ে, আমার প্রভুর, পা আর পশ্চাৎদেশ দিনরাত চাঁটি। চাঁটি তো বেশ করি। আমি চাঁটি তো তোর ঠাম্মার কি? তোর ঠাম্মা কি, আমাকে দক্তা পাতা দিয়ে ঝাল পান খাওয়ায়? দূর হ, দূর হ পোড়ামুখা হতচ্ছাড়া! সময় নষ্ট করিস না, আমাকে এখন চাঁটতে দে।
কেউ যদি ঘরের মধ্যে, হীরে জহরত মণি মাণিক্য ভরেও "চেতনাহীন অন্ধকারে" থাকতে চায়, তাতে কারও আপত্তি আছে কি? তোমাদের আপত্তি আছে কি না জানি না। আমার কিন্তু কোন আপত্তি নেই। আমি পচা দুর্গন্ধময় আঁধারই বেশি ভালোবাসি। আমি বিষ্ঠা আর মূত্র চেঁটেই খুশি। মাসি বা পিসি, আমার মুখে একটু মুতে দিলেই আমি খুশি।
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem