আন্ডারপ্যান্টে আস্ত এক গিঁট বেঁধে
উদ্ভ্রান্তের মতো ছুটছে মানুষ।
আদর্শ পৃথিবীর খোঁজে...
মালবিকা খুঁজছে আদর্শ এক
রোজগেরে প্রেমিক।
অমল খুঁজছে আদর্শ সুন্দরীর
উঁচু উঁচু পাহাড় ঘেড়া সবুজ সতেজ বাগান।
আগামী আষাঢ়ে, সাড়ে সাঁইত্রিশ বছর হবে-
কমিউনিস্ট কমল বসু খুঁজছে আদর্শ এক সমাজব্যবস্থা
নগেন মাস্টার আদর্শ এক ছাত্র
মণু মুখুজ্যে আদর্শ এক সন্তান।
শ্রীমান টিকিটিকি শ্রীযুক্ত গিরগিটি ইত্যাদি
মিছিল করে, এক পা তুলে,
কি যেন কি একটা দেখিয়ে
নিত্যদিন মানুষের স্বপ্নের মুখে
মুতে দিয়ে যায়;
অথচ চৈতন্য মানুষের হয় না।
মানুষের গালে সজোরে থাপ্পড় লাগিয়ে
সময় বুড়ো হেঁকে হেঁকে যায়-
আক্কেল কি
ছারপোকার কাছে বন্ধ রেখেছিস নাকি রে হারামজাদা?
জানিস না
তোর চৌদ্দ পুরুষের চুয়াত্তর হাজার পূর্বপুরুষ
আন্ডারপ্যান্টের নিচে রাখা লুক্কায়িত সম্পদ
নিত্যদিন মালিশ করতে করতে
আদর্শ পৃথিবীর স্বপ্ন দেখলেও
আদর্শ পৃথিবী তারা পায় নি?
নির্লজ্জ্য মানুষের অনন্ত সৌভাগ্য
টিকটিকির উপহাসে লজ্জা তারা পায় না!
নতুবা মানুষ জাতিকে আত্মহত্যায় উস্কানি দেওয়ার দায়ে
পুরো টিকটিকি জাতি
শ্রীযুক্ত ঈশ্বরের কয়েদখানায় বন্দী হতো।
মানুষ
পন্ডিত হয়েছে, নেতা হয়েছে,
সাধু হয়েছে, বিজ্ঞানী হয়েছে,
বিজেপি কংগ্রেস হিন্দু মুসলমান ইত্যাদি সবই হয়েছে;
পারে নি কেবল
অন্তত একটা কানা খোঁড়া ল্যাংড়া মানুষ হতে।
কানা খোঁড়া ল্যাংড়া হলেও
মানুষ হিসেবে তার একটা হৃদয় থাকা উচিৎ ছিলো।
তুমি কি বলো পেন্তীর মা?
আদর্শ বলে কিছু হয় না
সবই হৃদয় দিয়ে গড়তে হয়।
এ পৃথিবীকেও গড়তে হয়
প্রেমিককেও গড়তে হয়।
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem
অনবদ্য ।দারুন দারুন বলেছেন ।