হটাৎ একলা মেঘলা দুপুরে কার্নিশে শালবন
দূরে কত মেঘ, বুঝিনা আবেগ, নিরুপায় মন;
ভাঙা টালি কত রঙে ছবি এঁকে যায় জলপাই
উড়ে না তবু পর্দা মাখা লাঠি হাতে বৃদ্ধ সেপাই।
শালিক জোড়া বাঁশ বনে বাঁধে বাসা, ব্যস্ত বিরাগে
নীরবে ওরা ওদের দেশে দোল দেয় পয়লা পরাগে;
মুছে যায় সময়, টাইম মেশিনে গোলযোগ শেষে
পৌঁছে গেছে গল্পের সমুদুর গল্প রাজার বেশে।
আবোল তাবোল মাঝি মাল্লার আর আজানে
কত সুর কানে ভাসে বেহায়া নদীর প্রাণে, আনমনে;
হিমেল ভোরে কুয়াশা ঢাকা পেল্লাই মাঠে ময়দানে
শিশির সিক্ত উষ্ণ কাশে শরৎ হাসে অঙ্গদানে।
আবোল তাবোল পাগল ছাগল দেশের দশ দিকে
সূর্যাস্তের আকাশখানি ক্যানভাসে বড় ফিকে;
নিভছে আলো, জল্লাদ বাতি, জোনাকি নিশ্চুপ
ইতিহাসে ওরা পরে অদ্ভুত অস্বাভাবিক অন্ধকূপ!
আসছে সিরাজ, লাল মলাট, আর পলাশীর প্রান্তর
ভূগোলে হবে দেখা, সৌরজগতের অজানা যন্তর,
ইস্কুল ফেলে, দুস্টু ছেলে, গোলাপ কুঁড়ির কাঁটায়
রক্তে ওড়ায়, পুরাতন পাতায় সালোকসংশ্লেষের লাটাই।
মিলছে না সব হিসাব গুলো, অঙ্কটা নির্বোধ নিরাকার
এলোমেলো কবিতার লাইনের অর্থ কি দুর্বার দুর্নিবার!
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem