মা ফসল দেখেছিলো বেদনার বুড়ি হাত
সৌমেন চট্টোপাধ্যায়
গ্রাম ছুঁয়ে ফিরে ফিরে আসা অন্ধ পাখিদের দগ্ধ দেহগান
মেঘের ভেতর কান্নামাখা প্রত্নপথে ঝরেছিলো অবিরল
বীজের গভীরে প্রপিতামহের ধূসর স্নায়ুর মা ফসল
অঘ্রানের রাত ছিঁড়ে স্পর্শ করে ফেলে আসা অন্তিম বাগান
মাটির তৃষ্ণার দিকে ছুটে গিয়ে শুনেছিলো কালের আহ্বান
অস্তিত্বের গাঢ় অনুভবে দেখেছে সেদিন বিস্মৃত অতল
সময়ের হাতে সন্তানের জন্মে রোদ্দুরে খেলেছে অনর্গল
তারপর আবার আদিম গোমুখীর জলে বুনেছিলো প্রাণ
পাথুরে নদীর জলে ভাসে নিষাদের অন্ধকার ইতিহাস
পানকৌড়ি শালিখের সাথে বিবর্তন এনে অনার্য জীবন
দেখেছিলো করোটি কঙ্কালে ভাসে শ্মশানের মেঘলা আকাশ
তবু মহুয়ার গন্ধে আকাঙ্ক্ষার বীজ জেগে থাকে চিরন্তন
বেদনার বুড়ি হাত আশ্বাসে ছায়ার মনে ভরেছে বিশ্বাস
পৃথিবীতে রেখে যাবে তারা আদিবাতাসের ঘ্রাণের স্পন্দন
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem