একাকী তোমাকে বলেছি অনেক কথা। তোমার কি মনে আছে সেইসব স্নেহের দুপুর!
মনেপড়ে একদিন আত্মগত কৃষ্ণপক্ষ ছায়ার গভীরে তুমি মুখ তুলেছিলে আঁধারলতার মতো!
জন্মশোক নক্ষত্র আলোয় অন্তর্লীন হয়েছিল মাঠ শেষের আকাশে। ধানমাঠ মেঘনদী স্মৃতিজল ছুঁয়ে পোড়ো কুয়াশা মন্দির জেগেছিল হেমন্ত বিকেলে।
পূর্বপুরুষের নীল অন্ধকারে গোধূলি দ্বীপের নৌকো রাখালের প্রাচীন ধুলোর শব নিয়ে দূর উজ্জয়িনী প্রান্তে ভেসে গেলো।
করুন ছবির সেই দেহশরীরে নিবিড় হয়েছি আমরা।
ফাল্গুনের নির্জন দুপুর কেঁদেছে ভেতরে।
অনন্তকালের নিরপেক্ষ শ্মশানভূমির অরণ্যের দিকে আমাদের ঘরবাড়ি পুড়ে যায়-তবু সুগভীর অস্তিত্বের প্রকৃত কঙ্কালে আমরা রয়েছি।
অন্তর্গত চেতনায় কি দেখেছো প্রবীণ বৃক্ষের মরমী জটিল ক্ষত, জ্যোৎস্নার গভীরে সুদূর চন্দনবনে সন্ধ্যায় লুণ্ঠিত হয় অবিরল!
বিবর্ণ প্রাসাদে ঋজু স্তব্ধ থামগুলি ডানাভাঙা পাখিদের মতো আর্তনাদ করে।
পশ্চিম দিগন্ত থেকে আরো দূরে অন্ধমুনির সন্তান সিন্ধু, প্রাকৃত বিশ্বের দিকে চলে গেলে আমাদের একাকীত্ব বিচ্ছেদ বাঁশির অতীন্দ্রিয় সুর বোনে-সে কথা তোমায় কিভাবে বোঝায় বল!
আমিতো জানি না —
সূর্যাস্তে কিভাবে নদী নিরুদ্দেশ হয়! -মলিন আলোর বাঁশবনে, ভাঙা মন্দিরের গুহামুখে তোমার আমার অন্তরের নির্জনতা নেমে আসে কোন মহাকাল ছন্দে! এসব আমরা অনেক দেখেছি, তবুও তো হলো না কিছুই ছোঁয়া ! শুধুই প্রাকৃত বিশ্বে অন্তর্লীন হই আত্মগত ছায়ার গভীরে একে অপরের ভেতর...
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem