জড়িয়ে ধরেছে তাকে রাত্রির ইথার। পৃথিবীর ভাঙাচোরা কোণে এই গ্রাম।
কাঁকুরে নুড়ির কান্না শাল পলাশের হাহাকার- তীক্ষ্ণস্বর দূরের দিগন্তে হতভাগিনীর ছবি এঁকেছিল।
হুহু বাতাসে প্রেত ও ঈশ্বরের গর্ভ থেকে সেইখানে উড়ে আসে অন্ধকার - ক্ষুধিত পাতারা কথা বলে। কাছেই বইছে মন্থর নদীর সহজ করুন জল। সন্ধ্যার প্রত্যাশা -অশ্রুকণা পায়ে পায়ে ঘুরেছে অনেক। তারপর কাঁথার ভেতর রাত্রি ভোর হয়।
তরঙ্গ জননী তার শেকড়ের অবাধ্য স্রোতের দিকে মরমী বিশল্যকরণী ছায়ার মতো রেখে গেছে। কঠিন পাহাড়তলির পাথুরে গাছের অস্পষ্ট সঙ্ঘবদ্ধ জীবনের ফাঁকে জাগরীর রক্তাক্ত প্রান্তর আলো চেয়েছিল।
মাতৃত্বের উষ্ণ প্রাপ্তি তবুও অক্ষয়। অনিঃশেষ তাকে ছুঁয়ে থাকে মাথার উপর মহাকাশ - নিচে বাদামি ত্বকের রণভূমির উপোসী স্পর্শে কাঁপে অঘ্রাণের রাত্রির ইথার।
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem