তুমি কি দেখোনি অনুভূতির দেশে ক্ষয় নামে! এতো স্নেহ এতো আবেগ তবুও ধ্বংসের অক্ষর মেঘের মতো ওড়ে।
দুঃস্বপ্নের দিনগুলি মানুষকে মহৎ করে উড়ে গেছে শূন্য প্রান্তরে।
দেখেছি বিখ্যাত আকাঙ্ক্ষা কোনো এক হেমন্ত রাত্রির মিহি নির্জনতা ছুঁয়ে অমরাবতীর আদি সন্ধ্যার গহ্বরে আশ্বাস পেয়েছে।
জন্মলব্ধ বিষাদের হাহাকার মৃত্যুর করস্পর্শে ছিন্ন পালকের মতো বেদনার আকাশে ওড়ে।
দুঃস্বপ্নের দিনগুলি দুঃখের ভেতর মানুষকে শান্ত করে। জন্মজলে পথের সংসারী একাকী -সেইখানে মাতৃমুখ ভাসে।
সাঁওতাল পল্লীর ঝিঁঝিঁর গুঞ্জন বিচ্ছিন্ন বিন্দুর মতো প্রতিবন্ধী অস্তিত্বে আমার দিকে চোখ রাখে। করতলে জ্যোৎস্নাধ্বনি নিজস্ব রাত্রির কাছে ঋণী রাখে।
নিঃস্ব নদীটির প্রাচীন ঘাটে প্রত্নঅস্থি ভাঙ্গা হাড়ি ঘট শুয়ে থাকে নির্জন হেমন্তে।
তুমি কি এসব কিছুই দেখোনি!
শূন্য দেশের নিয়তি, অজস্র সন্ধ্যার উপকথার নরম মৃত্যুনদী, বাঁশবন, দুঃখী শীর্ণজোড় অন্তর্লোকে শ্মশান
জাগানো দুখিত ছায়াকে আরো দীর্ঘ - সংহত করে।
তুমি কি দেখোনি অনুভূতির প্রত্যন্ত প্রদেশে ক্ষয় নেমেছে!
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem