তুমি কি দেখোনি—
অঘ্রান রোদ্দুরে ফসলের সফলতা!
তুমি কি দেখোনি—
প্রাচীন প্রবৃত্তিগুলি নিয়ে পরিচিত নদীসন্ধ্যা জঠরের দিকে বয়ে যায়! হেমন্ত জ্যোৎস্নার অবিরল আত্মীয়তা নিয়ে যায় নতুন সূর্যের দিকে!
তুমি কি শোননি—
শূন্যে ধ্বনিত শব্দেরা কার কথা বলে যায়!
সেদিনের আলোমাখা ডানার মায়াবী গন্ধে তোমার শরীরী বেদনার কথা পৃথিবীর বোধের ভেতর জন্ম দিয়েছিল অনিবার্য দর্শনের যেখানে মাটি ও মৃত্যুর দুঃখের মায়া-আকাশ মরমী গ্রন্থিতে গিঁথেছে কাম প্রজনন প্রত্যাখ্যান— নির্জন নাভিতে জন্ম উপত্যকা।
ধুসর স্রোতের থেকে ফিরে এসে সৃজনের চৈতন্যে মেঘের দিকে চেয়েছিলে!
নিশ্চিত সত্যের দিকে উড়েছিল নিবিড় আঁচল!
জন্মনাড়ি ছুঁয়ে রাখাল জন্মের আমি, আত্মক্ষয় স্মৃতিক্ষত নিয়ে তোমার অস্তিত্বে আত্মজের জন্মের প্রেরণা পেয়ে একদিন পাথুরে মাটির এই গ্রামের ব্যথিত গৃহস্থ ভরেছি।
তুমি স্থির হও—
নির্জন আলোয় আমাদের প্রার্থনার ভাষাগন্ধ অঘ্রানের রোদ্দুরের সফলতা ছুঁয়ে অবিরল এই সংহত জীবন বিদায়ের আগে শান্ত খেয়াঘাটে রেখে যাবে তোমার আমার বোধের সন্তান।
এভাবে কেঁদোনা তুমি—
জীবনের অস্থিরতা, করোটি কঙ্কালে-মাংসগলা জীবনগন্ধের অন্ধঝড় প্রাণের ভেতর ছিলোনা কোথাও। ঝিঁঝির আদিম অন্ধকার শ্মশান-চিতার পোড়াকাঠ হৃদয়ের শান্তহাড় মাটিমূলে প্রতিশ্রুতি রেখেছিল।
প্রান্তরের পরাভব একদিন শতচ্ছিন্ন রাত্রির সম্বল হয়ে আমাদের ব্যাকুলতা শান্ত করেছিলো জঠরের দিকে...
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem