গ্রাম শেষে বিবর্ণ বাঁশের সাঁকো। সূর্য অস্ত গেল। তারই পরপারে বিচ্ছিন্ন দাঁড়িয়ে আছি। গাছের তৃষ্ণার্ত কঙ্কালে তরল গোধূলি গড়াচ্ছে।
এখানেই পূর্বপুরুষের বাড়ি। নাভিফুল থেকে আত্মজের জন্ম হয়েছিল।
দীনদুখিনী ঠাকুমার কুলদেবতা গোপালের ভাঙা মন্দির— তুলসি তলা।
প্রাণমূলে অসমাপ্ত অস্তিত্বের মেঘ চিত্তশুদ্ধির কথা ভাবে।
অতি অন্তরঙ্গ স্থির অন্ধকার। দূরে হেঁটে যাই পশ্চিমদিকে। এখানে শ্মশান।
চিতা ও তামাকের ধোঁয়া — অন্ত্রনাড়ির ভাঙা ভাঙা ঢেউ ছড়াতে থাকলো আমার ভেতর।
মাথা পুড়ে যখন বাষ্প বাতাসে মিশে গেছে দেখি অদূরে শূন্য থেকে গাঢ় বিশ্বাসে একলা ইঁদুর আলপথে শস্য চুরি করে আনে।
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem